ফাইল ছবি।

নয়াদিল্লি: দেশজুড়ে অব্যাহত করোনার থাবা। বাজারে ঠিক কবে করোনার প্রতিষেধক আসবে তা নিয়ে রয়েছে যথেষ্ট ধোঁয়াশা। কোন দেশ আগে বের করবে করোনার টিকা সেই দিকে চাতক পাখির মতো তাকিয়ে পৃথিবীর প্রায় সবকটি দেশ।

এরই মধ্যে ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৬০ লক্ষের কাছে পৌঁছে গিয়েছে। আর এই অবস্থায় একবার করোনা মুক্ত হওয়ার পর ফের একই ব্যক্তির করোনা সংক্রমিত হওয়ার বিষয়টি যথেষ্ট ভাবাচ্ছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রককে।

রবিবার একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের কাছে সাক্ষাৎকারে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডঃ হর্ষবর্ধন জানিয়েছেন, “শুধু ভারতেই নয়, গোটা বিশ্বেই সুস্থ হয়ে ওঠার পর দ্বিতীয়বার ফের করোনা সংক্রমিত হওয়ার ঘটনা যথেষ্ট উদ্বেগের সৃষ্টি করছে। যারফলে করোনার নতুন নতুন জিনগত পরিবর্তন নিয়ে সব সময় আলোচনা গবেষণা চলছ মন্ত্রকের অন্দরে। “

তিনি আরও বলেন, “হার্ড ইমিউনিটি বা গোষ্ঠী অনাক্রম্যতা অর্জনের থেকে ভারত এখনও বহু দূরে রয়েছে । আইসিএমআর-এর সেরো সার্ভের রিপোর্ট তুলে ধরে রবিবার এই কথায় জানান কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন। আর এই কঠিন পরিস্থিতিতে করোনা মোকাবিলায় সকলকে যথাযথ স্বাস্থ্য সংক্রান্ত যাবতীয় সতর্কতা বিধি মেনে চলার আর্জি জানিয়েছেন তিনি।”

এদিকে গত চব্বিশ ঘণ্টায় কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী, গোটা দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৮৮,৬০০ জন। ভারতে মোট করোনা সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা ছুঁয়েছে ৫৯,৯২,৫৩২। মৃত ৯৪, ৫০৩ জন।

এদিকে, করোনা সংক্রমণ ছড়ানোর সময়ে দেশে ফেরা প্রবাসী ভারতীয়রা ভারতে করোনা ছড়িয়ে দেওয়ার প্রধান কারণ। এমনই তথ্য জানাচ্ছে ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (আইআইটি), মান্ডির সমীক্ষা। গবেষকরা জানাচ্ছেন মূলত দুবাই ও ব্রিটেন থেকে আগত ভারতীয়রাই দেশে করোনা ছড়িয়েছে।

তাঁদের মত, এই প্রবাসী ভারতীয়রাই দেশে করোনা ছড়ানোর মূল উৎস হিসেবে কাজ করেছেন। জার্নাল অফ ট্রাভেল মেডিসিনে এই তথ্য দিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। সমীক্ষাটির জানাচ্ছে আন্তর্জাতিক উড়ান সময় মত বন্ধ করে দিলে ভারতে এত বেশি আকারে করোনা ছড়িয়ে পড়ত না।

আইআইটি মান্ডির অ্যাসিসট্যান্ট প্রফেসর সরিতা আজাদ জানান, জাতীয় স্তরে বিভিন্ন ভাবে ছড়িয়েছে করোনা। তবে মূলত আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের যাত্রীরাই মূল উৎস এর। সংবাদংস্থা পিটিআইকে দেওয়া সাক্ষাতকারে আজাদ বলেন যাত্রীদের ভ্রমণের ইতিহাস বলছে দুবাই ও ব্রিটেন থেকে আসা যাত্রীরাই ছড়িয়েছেন করোনা।

তাঁরাই মূলত এই সংক্রমণের বাহক। দুবাই থেকে ১৪৪ জন ও ব্রিটেন থেকে ৬৪ জন প্রাথমিকভাবে আসা যাত্রী করোনা সংক্রমিত ছিলেন বলে আশংকা করা হচ্ছে। মার্চের ২৫ তারিখ থেকে ১৪ই এপ্রিলের মধ্যে মূল সংক্রমণ ছড়িয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।