নয়াদিল্লি : শ্লোগান দিয়ে, ব্যানার ঝুলিয়ে খালিস্তানি সমর্থকরা জানিয়ে ছিল তারা কৃষক, জঙ্গি নয়। এই শ্লোগান দিয়ে, ব্যানার লাগিয়ে ইতালির রোমে ভারতীয় দূতাবাসে কার্যত হামলা চালায় খালিস্তানিপন্থীরা। একই ছবি দেখা যায় ব্রিটেনে ভারতীয় দূতাবাসের সামনেও। গোটা ঘটনায় রীতিমত উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নয়াদিল্লি। ইতালিতে খালিস্তানপন্থীদের হামলার ঘটনার কড়া নিন্দা করেছে ভারত।

প্রজাতন্ত্র দিবসের আগের দিন এই ঘটনা ঘটে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে সেই ভিডিও। ভিডিওতে দেখা যায় খালিস্তানপন্থীরা রাতের অন্ধকারে রোমে ভারতীয় দূতাবাসের সামনে জড়ো হয়ে শ্লোগান দিচ্ছে, পতাকা তুলছে। খালিস্তান জিন্দাবাদ শ্লোগান দেওয়া হচ্ছিল বারবার। এক ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, রোমে খালিস্তানি সমর্থকরা খালিস্তানি পতাকা ওড়াচ্ছেন ও খালিস্তানি জিন্দাবাদ শ্লোগান দিচ্ছেন। পরে জানা যায় আরও তথ্য। খালিস্তানপন্থীরা ভারতীয় সংবিধানের একাধিক কপি নষ্ট করে মাটিতে ফেলে দেয়। রীতিমতো ছিঁড়ে ফেলা হয় সেসব বই।

এই ঘটনার কড়া নিন্দা করে ভারত। নয়াদিল্লি ক্ষোভ প্রকাশ করে জানিয়েছে, এই ধরণের ঘটনা কার্যত হামলা ও লুঠের সামিল। রাতের অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে চোরের মতো আন্দোলন চালানো যায় না। গোটা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ইতালি সরকারকে অনুরোধ করেছে ভারত। নয়াদিল্লি স্মরণ করিয়ে দিয়েছে ভারতীয় দূতাবাসের কর্মীদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তার দায়িত্ব ইতালি সরকারের। সেই দায়িত্ব থেকে যেন পিছু হঠে না আসে তাঁরা।

অন্যদিকে, একই ঘটনা ঘটে ব্রিটেনেও। খালিস্তানপন্থীদের দমাতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিয়েছে লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশ বলে ধন্যবাদ জানিয়েছে ভারত। ভারতীয় দূতাবাসের সামনে খালিস্তানপন্থীরা বিক্ষোভ দেখাবার সুযোগ পায়নি বলে উল্লেখ করেছে নয়াদিল্লি।

এদিকে, সাধারণতন্ত্র দিবসে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে মূল কুচকাওয়াজ শেষ হতেই কৃষক বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে দিল্লি কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। অতি গুরুত্বপূর্ণ আইটিও এলাকায় পুলিশকে কোনঠাসা করে বিক্ষোভকারীদের একাংশ এগিয়ে আসেন। বাধা দিলে শুরু হয় হাতাহাতি। এক সময়ে কৃষকরা ট্রাকটর নিয়ে তেড়ে আসেন। শুরু হয় পাথর ছোঁড়া। আইটিও দিল্লির পুলিশ সদর দফতর। ফলে পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হয়। দরিয়াগঞ্জেও সংঘর্ষ ছড়ায়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।