নয়াদিল্লি: ১১ মে তারিখটি জাতীয় প্রযুক্তি দিবস হিসেবে পালিত হয়ে থাকে৷ যার অন্যতম কারণ হল ১৯৯৮ সালে ১১ মে তারিখেই রাজস্থানের পোখরানে সফল ভাবে পরমাণু বোমা পরীক্ষা করেছিল ভারত৷ যা ছিল ভারতের দ্বিতীয় পরমাণু পরীক্ষা৷ আজ থেকে ঠিক ২১ বছর আগে সেই সাফল্য দেখেচিল ভারত

ইতিহাস সৃষ্টি করেছিলেন ভারতীয় বিজ্ঞানীরা৷ প্রথম ভারতীয় পরমাণু বোমা পরীক্ষা হয় ১৯৭৪ সালে৷ যার কোড নাম ছিল ‘স্মাইলিং বুদ্ধ’।

সেই পোখরান ২ পরমাণু পরীক্ষা সম্পর্কে রইল পাঁচটি বিশেষ তথ্য:

১৷ ১৯৯৮ সালে পোখরানে দ্বিতীয় পরমাণু পরীক্ষায় পরপর পাঁচটি পারমাণবিক বোমা পরীক্ষা চালিয়েছিল ভারতীয় বিজ্ঞানীরা৷

২৷ পোখরানে দ্বিতীয় পরমাণু পরীক্ষায় যে পাঁচটি পরমাণু বোমা ভারত উৎক্ষেপণ করেছিল তারমধ্যে প্রথমটি ছিল শক্তিশালী হাইড্রোজেন বোমা৷ বাকিগুলি ছিল কম শক্তিশালী পরমাণু বোমা৷

৩৷ এই পরমাণু পরীক্ষার পরে ভারতের বিপক্ষে চলে যায় আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে প্রাধান্য পাওয়া বেশকিছু দেশ৷ যার মধ্যে অন্যতম আমেরিকা ও জাপান৷

৪৷ ১৯৯৮ সালে ১১ মে পোখরানে ‘অপারেশন শক্তি’র দু’দিন পরেও অর্থাৎ ১৩ মে সেখানে পরীক্ষা করা হয়েছিল দুটি পরমাণু বোমা৷ এরপরেই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী সাংবাদিক সম্মেলন করে ভারতকে পারমাণবিক রাষ্ট্র বলে ঘোষণা করেন৷

৫৷ এই পরমাণু পরীক্ষার একাধিক নাম দেওয়া হয়েছিল৷ যার মধ্যে অন্যতম ‘শক্তি-৯৮’৷ এছাড়া পরমাণু বোমাগুলির নাম ছিল যথাক্রমে শক্তি-১,২,৩,৪,৫৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।