নয়াদিল্লি: একসঙ্গে ১৮ জনকে জঙ্গি তালিকাভুক্ত করল ভারত। এর মধ্যে রয়েছে হিজবুল মুজাহিদীনের চিফ সৈয়দ সালাউদ্দিন। সন্ত্রাস-বিরোধী আইনে এদের জঙ্গি তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

এছাড়া ১৯৯৯ সালে বিমান হাইজ্যাক করা আব্দুল রউফ আসগার, ইব্রাহিম আথার ও ইউসুফ আজহারের নামও রয়েছে সেই তালিকায়। আগে এই আইনে বিভিন্ন সংগঠনকে জঙ্গি তালিকাভুক্ত করা যেত। কিন্তু ২০১৯-এ সেই আইনে বদল হয়। তাই বর্তমানে আলাদা ভাবে জঙ্গিদের চিহ্নিত করা যায়।

মঙ্গলবার একথা জানিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। এই ১৮ জনের মধ্যে আছে ১৯৯৩ সালে বম্বে বিস্ফোরণে অভিযুক্ত দাউদ ইব্রাহিম ঘনিষ্ঠ টাইগার মেমন, আনিস শেখ, জাভেদ চিক্‌না, ছোটা শাকিলের মতো ডনরাও।

শেখ শাকিল ওরফে ছোটা শাকিল দাউদের অন্যতম শাগরেদ এবং ১৯৯৩ সালে গুজরাটে অবৈধ অস্ত্রপাচারে জড়িত। তালিকার বাকিরা হল ২৬/‌১১ মুম্বই হামলার অন্যতম অভিযুক্ত লস্কর জঙ্গি ইউসুফ মুজাম্মিল, সাজিদ মির, লস্কর প্রধান হাফিজ সৈয়দের আত্মীয় আবদুর রেহমান মাক্কি, ১৯৯৯ সালে কান্দাহর বিমান ছিনতাইয়ে জড়িত ইউসুফ আজহর এবং ইব্রাহিম আতাহর। আতাহর সংসদ হামলারও অন্যতম চক্রী।

এছাড়া, অক্ষরধাম মন্দির হামলায় জড়িত ফরহাতুল্লা ঘোরি, ফলাহ্‌-ই-ইনসানিয়ত্‍ ফাউন্ডেশনের উপপ্রধান শাহিদ মেহমুদ, পাকিস্তানে জঙ্গি প্রশিক্ষণের মূল পান্ডা আবদুল রউফ আসগর, ইন্ডিয়ান মুজাহিদিনের প্রধান রিয়াজ ইসমাইল শাহবন্দরি ভাটকল এবং তার ভাই তথা উপপ্রধান মহম্মদ ইকবাল ভাটকল, হিজবুলের প্রতিষ্ঠাতা সৈয়দ সালাউদ্দিন মহম্মদ ইউসুফ শাহ ওরফে সৈয়দ সালাউদ্দিন, উপপ্রধান জাফ্‌ফর হুসেন ভাট, ডেপুটি সুপ্রিম কমান্ডার গুলাম নবি খান এবং জৈশের সিয়ালকোটের কমান্ডার শাহিদ লতিফ।

জাতীয় নিরাপত্তা জোরদার করতে এবং সন্ত্রাসবাদ কোনওভাবেই বরদাস্ত না করার লক্ষ্যেই ২০১৯ সালে সংশোধিত, ১৯৬৭ সালের ইউএপিএ আইনের চতুর্থ দফায় এদের নাম তালিকাভুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।

স্বামীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বস্ত্র ব্যবসাকে অন্যমাত্রা দিয়েছেন।'প্রশ্ন অনেকে'-এ মুখোমুখি দশভূজা স্বর্ণালী কাঞ্জিলাল I