নয়াদিল্লি: চিনের সঙ্গে সংঘাত মেটেনি এখনও। দলে দলে সেনা নিয়ে লাদাখের দিকে এগিয়ে আসছে চিন। স্যাটেলাইটে যেসব ছবি উঠে আসছে,তা চমকে যাওয়ার মত। কিন্তু ভারতও পিছিয়ে নেই। এবার লাদাখ সীমান্তে স্পেশাল ফোর্স মোতায়েন করল ভারত। যাতে কোনও অপারেশন চালাতে হলে তৈরি থাকে সৈন্য।

সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্যারা স্পেশাল ফোর্সের সদস্যদের নিয়ে যাওয়া হয়েছে লাদাখে। উল্লেখ্য,২০১৭ -তে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালানোর সময় বড় ভূমিকা পালন করেছিল এই প্যারা কমান্ডো।

সম্প্রতি জানা গিয়েছে যে, স্পেশাল ফোর্স ইতিমধ্যেই মোতায়েন করা হয়েছে। ইস্টার্ন লাদাখে মোতায়েন করা হয়েছে সেনা। কাদের কী ভূমিকা, তা ইতিমধ্যেই বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

ভারতের হাতে রয়েছে মোট ১২টি স্পেশাল ফোর্স। যারা বিভিন্নভাবে প্রশিক্ষিত।

অন্যদিকে, বিশেষ সূত্রে খবর, লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোলে চিনের চোখে চোখ রেখে নিজেদের ঘাতক কম্যান্ডোদের মোতায়েন করেছে ভারত।

কমপক্ষে ২০জন মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষক চিনের সেনাদের ট্রেনিং দিচ্ছে। তিব্বতে এই প্রশিক্ষণ চলছে। এদেরই লাদাখে মোতায়েন করা হবে। তবে কম যায় না ভারতও। এই তথ্য পাওয়ার পরেই লাদাখের কাছে সীমান্ত জুড়ে মোতায়েন করা হয়েছে ঘাতক কম্যান্ডোদের।

সেনা সূত্রে, খবর এই ঘাতক কম্যান্ডোরা কর্ণাটকের বেলগামে ৪৩ দিনের বিশেষ প্রশিক্ষণ নেয়। ৩৫ কেজির ওজন নিয়ে ৪০ কিমি টানা দৌড়নো এই প্রশিক্ষণের অংশ। শারীরিকভাবে এঁরা অত্যন্ত ফিট। যে কোনও পরিস্থিতির মোকাবিলায় ঘাতক কম্যান্ডো ভারতের সম্পদ। এই ঘাতক কম্যান্ডোরা মোতায়েন থাকলে, সেনাবাহিনীর বাকি অংশের সাহায্য তত লাগে না। এরাই শত্রু নিকেশে পারদর্শী।

অস্ত্র নিয়ে প্রশিক্ষণের পাশাপাশি, হাতাহাতি বা সামনাসামনি সংঘর্ষে এরা বিশ্বের যে কোনও সেনাকে হারাতে পারে। এরা মার্শাল আর্টেও পারদর্শী। এক একটি ট্রুপে ২০জন করে কম্যান্ডো থাকেন। থাকেন কম্যান্ডিং ক্যাপ্টেন। এই টিমের মধ্যে ভাগ থাকে। মার্ক ম্যান, লাইট মেশিন গানারস, রেডিও অপারেটর। এর পাশাপাশি থাকে অ্যাসল্ট ট্রুপারস।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ