লাদাখ: পরিস্থিতি বেশ জটিল। একাধিক সীমান্ত বৈঠকেও ভারত ও চিনের মধ্যে সম্পর্কের বরফ গলছে না। এবার চিনকে চমকে লাদাখ সীমান্তে লং রেঞ্জ মিসাইল নির্ভয় মোতায়েন করল ভারত। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা ওই পারে একাধিক মিসাইল মোতায়েন করেছে চিন, বলে সেনা সূত্রে খবর। এই সারফেস টু সারফেস মিসাইল নির্ভয় প্রায় হাজার কিমি দূরে গিয়ে লক্ষ্যবস্তুকে আঘাত করতে পারে বলে ভারতীয় সেনা জানিয়েছে।

মাটি থেকে ১০০ মিটার থেকে ৪ কিলোমিটার পর্যন্ত ওপরে উঠতে পারে নির্ভয় মিসাইল। এটি তৈরি করেছে ভারতের প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা ডিআরডিও। সাত বছর ধরে এর পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণের পর এটিকে সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এই প্রথম যুদ্ধক্ষেত্রে এটিকে মোতায়েন করা হল বলে ভারতীয় সেনা জানিয়েছে।

যে কোনও প্রতিকূল পরিবেশে এই মিসাইল কাজ করতে পারে। ১০০০ কিমি দূরের লক্ষ্য বস্তুকে আঘাত করতে পারে এই মিসাইল, এর অর্থ তিব্বত পর্যন্ত গিয়ে লক্ষ্যবস্তুকে ধংস্ব করে আসার ক্ষমতা রয়েছে এই মিসাইলের।

উপগ্রহ চিত্র বলছে সীমান্তে মিসাইল মোতায়েনের পরিমাণ বাড়িয়েছে চিন। ভূমি থেকে আকাশ মিসাইলের পরিমাণ এর মধ্যে বেশি। তিব্বত সীমান্তেও মিসাইল মোতায়েন করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, সিকিম, অরুণাচল প্রদেশ, উত্তরাখন্ডের সীমান্তেও মিসাইল মোতায়েন করেছে চিন বলে খবর।

এদিকে, নয়াদিল্লি পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা পার করলেই আত্মরক্ষার জন্য ভারতীয় সেনা গুলি চালাবে চিনা সেনাকে লক্ষ্য করে। তাই চিনা সেনা যেন সেই ভুল না করে। চিনকে কার্যত সাবধানবাণী শুনিয়েছে ভারত।

গত কয়েক মাস ধরেই লাদাখ সীমান্তে চিনা সেনার অবস্থান নিয়ে সংঘাত চলছে। একাধিক সামরিক ও কূটনৈতিক স্তরের বৈঠকের পরেও কোনও লাভ হয়নি। উচ্চপদস্থ সরকারি সূত্র বলছে গালওয়ান ভ্যালির সংঘাতের পর এটাই ভারতের সবথেকে কড়া সতর্কবার্তা।

এদিন ভারত জানিয়ে দেয় চিন যেন মনে রাখে, কোনওভাবেই ভারতীয় সেনা নিয়ন্ত্রণরেখা পার করা বরদাস্ত করবে না। চিনা সেনাকে নিয়ন্ত্রণরেখা পার হতে দেখলেই গুলি চালাবে ভারতীয় সেনা। কোনও রেয়াত করা হবে না।

এদিকে, গত বেশ কয়েক মাস ধরে লাদাখ ঘিরে চলছে উত্তেজনা। তবে বর্তমান সময়ে ভারত-চিন উভয় পক্ষই উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশের অবসানের চেষ্টা করছে। কিন্তু তাতেও চলছে দড়ি টানাটানি।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।