পোর্টব্লেয়ার: ঘুঁটি সাজাচ্ছে লালফৌজ, সতর্ক ভারতও। ভারত মহাসাগরে চিনা আগ্রাসন রুখতে পুরোদস্তুর তৈরি ভারত। ইতিমধ্যেই আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে সেনা পাঠাতে শুরু করেছে ভারত। স্থলসীমান্ত ছাড়াও এবার জলভাগেও নজরদারি দ্বিগুণ করা হয়েছে।

লাদাখের গালওয়ান সীমান্তে চিনা সেনার আগ্রাসনের পর থেকেই সতর্ক ভারত। ইতিমধ্যেই পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা জলসীমা বরাবর চিনা রণতরীর গতিবিধি নজরে এসেছে দিল্লির। ভারত মহাসাগরে চিনা নৌবহরের উপস্থিতি টের পেতেই চূড়ান্ত সতর্ক নৌসেনা। আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে অতিরিক্ত সেনা পাঠানোর কাজ শুরু করেছে ভারত।

লাদাখে চিনা আগ্রাসনের কথা মাথায় রখে এবার ভারত মহাসাগরে সীমান্ত পাহারার কাজে জোরদার তৎপরতা শুরু করেছে দিল্লি। এব্যাপারে দফায়-দফায় গত কয়েকদিনে আলোচনা সেরেছেন সেনাকর্তারা।

নৌসেনাকে বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। আন্দামানে প্রয়োজনে যাতে যুদ্ধবিমান নামিয়ে কাজ চালানো যায় সেব্যাপারেও তৎপরতা শুরু হয়েছে। উত্তর আন্দামানে আইএনএস কোহাসারের রানওয়ে বাড়ানো হচ্ছে।

লাদাখের গালওয়ানে ভারতীয় ভূখণ্ডে অবৈধভাবে চিনা সেনা ঢুকলে বাধা দেয় ভারতীয় সেনা। চিনা সেনার সঙ্গে তুমুল সংঘর্ষে শহিদ হন ২০ ভারতীয় সেনা-জওয়ান। সীমান্ত বিবাদ নিয়ে দুই দেশের সম্পর্ক বর্তমানে তলানিতে ঠেকেছে। মুখে আলোচনার মাধ্যমে জট কাটানোর কথা বললেও ভারতকে বিপদে ফেলতে ক্রমাগত প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলির সঙ্গে যোগাযোগ চালাচ্ছে বেজিং।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ