বেইরুট: লেবানন উত্তপ্ত। ভয়াবহ বিস্ফোরণের পর থেকে নানা ঘটনা ঘটেছে। বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছে সরকারকে। বেইরুটের সেই ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই তা ভাইরাল হয়েছে। নিহত হয়েছেন শতাধিক মানুষ। এবার ঘটনা পরবর্তী পরিস্থিতিতে লেবাননকে সাহায্যের হাত বাড়াল ভারত।

মানবিক দিক তুলে ধরে জরুরি অবস্থায় ৫৮ মেট্রিক টন ‘হিউম্যানিট্যারিয়ান’ সাহায্য পাঠাল ভারত। যার মধ্যে রয়েছে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য সামগ্রী, খাবার। বেইরুটের উদ্দেশ্যে ইতিমধ্যেই এসব পাঠিয়েছে ভারত। এই সব জিনিস লেবাননে পৌঁছে দিচ্ছে IAF C17 এয়ারক্রাফট। শুক্রবার এমনটাই জানিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।

বিস্ফোরণের পর থেকেই জনগণ ক্ষিপ্ত লেবাননে। সপ্তাহ শেষে বিক্ষোভ এমন আকার নিয়েছে যে, ক্ষিপ্ত জনগণ ভাঙচুর চালিয়েছে। সরকার পড়ে যেতে পারে এমনই আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। বিক্ষোভ রুখতে পুলিশের গুলিতে জখম অনেকে। প্রতিবাদের তীব্রতা বাড়তে থাকায় সাংসদরা পদত্যাগ করতে শুরু করেছেন। পদত্যাগ করেছেন সেদেশের প্রধানমন্ত্রীও।

বিক্ষোভকারীরা লেবাননের প্রেসিডেন্ট মাইকেল আউনের ছবি পুড়িয়ে দেয়। প্রথমে বিদেশমন্ত্রকে ঢুকে পড়ে বিক্ষুব্ধরা। শুরু হয় ভাঙচুর। এরপর বিভিন্ন মন্ত্রক আক্রান্ত হয়। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ চলে।

জানা গিয়েছে, ২৭০০ টন অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ভর্তি এক গুদামঘর বেইরুট বিস্ফোরণের উৎসস্থল। আর সেই বিস্ফোরণের তীব্রতা বা শকওয়েভ এতটাই বেশি ছিল যে বেইরুট শহরের আশেপাশের অঞ্চলেও বিস্ফোরণ অনুভূত হয়েছে। রাতারাতি ধ্বংসস্তূপের আকার নেওয়া বেইরুটের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখে আতকে ওঠার জোগাড়। গোটা পৃথিবী মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটির জন্য প্রার্থনা করছে।

মঙ্গলবারের বিস্ফোরণের তীব্রতা হিরোশিমায় পরমাণু হামলার ১০ ভাগের ১ ভাগ। এমনই জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এই ভয়াবহ বিস্ফোরণের তীব্রতা এমনই যে বেইরুট থেকে ২৪০ কিলোমিটার দূরের সাইপ্রাস দ্বীপরাষ্ট্রে কম্পন ও শব্দ শোনা গিয়েছিল।

একটি গোডাউনে ২ হাজার ৭৫০ টন অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট বিস্ফোরণ হয়। এই ঘটনায় ১৫৭ জনের মৃত্যু হয়। সাত হাজার মানুষ জখম হন।

করোনা আবহের শুরু থেকেই বিশ্বের একাধিক দেশের পাশে দাঁড়িয়েছে ভারত। প্রয়োজনীয় সামগ্রী দিয়ে সাহায্য করেছে বিভিন্ন দেশকে। এবার মর্মান্তিক বিস্ফোরণের পরে লেবাননকে সাহায্য করে মানবিকতার নজির গড়ল ভারত।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।