কলকাতা: বিরাট কোহলির প্যাভিলিয়নের ফিরতেই দ্রুত ভারতীয় ব্যাটিংয়ের লেজ গুটিয়ে দেয় বাংলাদেশ৷ তবে ইনিংস শেষ হওয়ার আগে ডিক্লেয়ার্ড দেয় ভারত৷ প্রথম ইনিংসের বাংলাদেশের ১০৬ রানের জবাবে ৯ উইকেটে ৩৪৭ রানের পর ক্রিজে থাকা দুই অপরাজিত ব্যাটসম্যান ঋদ্ধিমান সাহা ও মহম্মদ শামিকে ডেকে নেন ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি৷ অর্থাৎ প্রথম ইনিংসে ২৪১ রানের লিড ভারতের৷

তিন উইকেটে ১৭৪ রানে শনিবার খেলা শুরু করে ভারত৷ চতুর্থ উইকেটে কোহলি ও রাহানে ৯৯ রান যোগ করে ভারতীয় ইনিংসে বড় রানে পৌঁছে দেন৷ কিন্তু হাফ-সেঞ্চুরি করার পরই প্যাভিলিয়নের রাস্তা ধরেন রাহানে৷ ৫১ রানে তাইজুল ইসলামের শিকার হন তিনি৷ তাঁর ডেপুটি টেস্ট কেরিয়ারে ২৭তম হাফ-সেঞ্চুরি করে প্যাভিলিয়নের পথ ধরলেও বিরাট তাঁর টেস্ট কেরিয়ারে ২৭তম সেঞ্চুরির দিকে এগিয়ে যান৷

শেষ পর্যন্ত সেঞ্চুরি পূর্ণ করে ইতিহাস গড়েন ক্যাপ্টেন কোহলি৷ ইন্দোরে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম টেস্টে শূন্য রানে প্যাভিলিয়নে ফিরলেও ইডেনে বড় রানের অবিচল ছিলেন বিরাট৷ বাংলাদেশি বোলারদের বিরুদ্ধে অবলীলায় সেঞ্চুরিপূর্ণ করেন তিনি৷ শেষ পর্যন্ত ব্যক্তিগত ১৩৬ রানে আউট হন বিরাট৷

প্রথম ভারতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে ডে-নাইট টেস্টে সেঞ্চুরির পাশাপাশি ভারতীয় ক্যাপ্টেন হিসেবে ২০ নম্বর টেস্ট সেঞ্চুরি করেন কোহলি৷ ফলে ৭০টি আন্তর্জাতিক সেঞ্চুরির মালিক হন বিরাট৷ অর্থাৎ সচিন তেন্ডুলকরের থেকে ৩০টি সেঞ্চুরি কম৷ ক্যাপ্টেন হিসেবে সর্বাধিক ৪১টি আন্তর্জাতিক সেঞ্চুরির মালিক হলেন কোহলি৷

বিরাট আউট হওয়ার পর দ্রুত তিন উইকেট হারায় ভারত৷ কিন্তু শেষ উইকেটে ঋদ্ধিমান সাহা ও মহম্মদ শামি ১৯ রান যোগ করার পর ড্রেসিংরুম থেকে বেরিয়ে ব্যাটসম্যানদের ডেকে নেন ক্যাপ্টেন কোহলি৷ ব্যক্তিগত ১৭ রানে অপরাজিত থাকেন ঋদ্ধিমান আর ১০ রানে ক্রিজে ছিলেন শামি৷ বাংলাদেশের হয়ে এবাদত হোসেন ও আল-আমিন হোসেন দু’জনেই তিনটি করে উইকেট তুলে নেন৷ এছাড়াও আবু জায়েদ দু’টি এবং তাইজুল ইসলাম একটি উইকেট নেন৷