নয়াদিল্লি: খুব শীঘ্রই ভারত বায়োটেকের হাত ধরে দেশে আসতে চলেছে কোভিড-১৯ এর নাসাল ভ্যাক্সিন৷ নাগপুরের গিলুরকার মাল্টি স্পেশালিট হাসপাতালে শুরু হবে নাসাল ভ্যাক্সিনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল৷ প্রথম ও দ্বিতীয় দফার ট্রায়ালের জন্য চলছে প্রস্তুতি৷

বৃহস্পতিবার ভারত বায়োটেকের প্রধান ড. কৃষ্ণা এল্লা বলেন, ‘‘আমরা নাসাল ভ্যাকসিনের উপর কাজ করছি৷ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি স্কুল অফ মেডিসিনের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ শুরু হয়েছে৷ দুই ডোজের নিস্ত্রিয় ভ্যাকসিনের বদলে আমরা একক ডোজের ভ্যাকসিনের উপর কাজ করছি৷ গবেষণায় দেখা গিয়েছে, করোনা মোকাবিলায় নাসাল ভ্যাকসিনই শ্রেষ্ঠ৷ কেননা নাকের মধ্যে দিয়েও মানব দেহে করোনা ভাইরাস প্রবেশ করে থাকে৷’’

এ প্রসঙ্গে ড. চন্দ্রশেখর গিল্লুকর বলেন, ‘‘আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যেই নাসাল কোভ্যাকসিনের ট্রায়াল শুরু হয়ে যাবে৷ ইনজেক্ট করার চেয়ে নাসারন্ধ্র দিয়ে করোনা ভ্যাকসিন দেওয়া হলে তা অনেক বেশি কার্যকর হবে৷ এই বিষয়ে যথেষ্ট বৈজ্ঞানিক প্রমাণও রয়েছে৷ খুব শীঘ্রই ডিসিজিআই-এর কাছে এই বিষয়ে প্রস্তাব পাঠাবে ভারত বায়োটেক৷’’

দেশের মোট চারটি জায়গা- ভুবনেশ্বর, পুনে, নাগপুর এবং হায়দরাবাদে শুরু হবে এই ট্রায়াল৷ ১৮ বছরের বেশি ৩০ থেকে ৪৫ জন স্বেচ্ছাসেবীর উপর এই নাসাল ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হবে৷ বর্তমানে দু’টি ইন্ট্রানাসাল ভ্যাকসিনের উপর কাজ করছে ভারত বায়োটেক৷ মার্কিন ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারক সংস্থা ফ্লুজেন এবং উইসকনসিন ম্যাডিসন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের সঙ্গে জুটি বেঁধে একটি টিকার উপর কাজ শুরু করেছে ভারত বায়োটেক৷ অপর ভ্যাকসিনটির কাজ চলছে ওয়াশিংটন স্কুল অফ মেডিসিন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আমেরিকায় নাসাল কোভিড ভ্যাকসিনের ট্রায়াল সফল হলে তা ভাইরাস সংক্রমণ রোধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে৷

অন্যদিকে, বর্তমানে ভারতে দুটি কোভিড ভ্যাকিসনে অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার৷ একটি ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিন এবং দ্বিতীয়টি হল অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনকা ও সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়ার তৈরি কোভিশিল্ড৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।