নয়াদিল্লি ও কলকাতা: দেশজুড়ে করোনার সংক্রমণ ফের উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে দেশে ১৮ হাজার ৭১১ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এরই পাশাপাশি একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মোট ১০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিউ নর্মালেও করোনার সংক্রমণের এই পরিসংখ্যা রীতিমতো উদ্বেগ বাড়াচ্ছে স্বাস্থ্যমন্ত্রকের।

করোনা মোকাবিলায় দেশজুড়ে চলছে টিকাকরণ অভিযান। টিকাকরণের এই পর্বে ষাটের্ধ্ব প্রবীণ নাগরিক ও ৪৫ বছরের উপরে থাকা ব্যক্তিরা যাঁদের কোমর্বিডিটি রয়েছে তাঁদেরই টিকা দেওয়া হচ্ছে। তারও আগে গত ১৬ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে গিয়েছিল টিকাকরণ অভিযান। প্রথম পর্বের টিকাকরণে দেশের ৩ কোটি ফ্রন্টলাইন ওার্কারকে টিকা দেওয়া শুরু হয়। সেই তালিকায় চিকিৎক, নার্স, অন্য স্বাস্থ্যকর্মী ও নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যরা ছিলেন। তাঁদের এবার দ্বিতীয় ডোজের টিকাকরণ চলছে।

একদিকে চলছে টিকাকরণ, অন্যদিকে ফের উদ্বেগ বাড়াচ্ছে সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে দেশে ১৮ হাজার ৭১১ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এরই পাশাপাশি একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মোট ১০০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

সব মিলিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী রবিবার সকাল পর্যন্ত গোটা দেশে নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১ কোটি ১২ লক্ষ ১০ হাজার ৭৯৯। এই মুহূর্তে দেশে করোনা অ্যাক্টিভ কেস ১ লক্ষ ৮৪ হাজার ৫২৩। ইতিমধ্যেই ১ কোটি ৮ লক্ষ ৬৮ হাজার ৫২০ জন করোনামুক্ত হয়েছেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রবিবার সকাল পর্যন্ত দেশে ২ কোটি ৯ লক্ষ ২২ হাজার ৩৪৪ জন করোনার টিকা নিয়েছেন।

দেশের মধ্যে মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু, কেরল, পঞ্জাব, ছত্তীসগড়, তেলেঙ্গানার সংক্রমণ পরিস্থিতি ফের উদ্বেগজনক আকার নিতে শুরু করেছে। করোনা মোকাবিলায় ইতিমধ্যেই মহারাষ্ট্রের একাধিক জেলায় লকডাউন, জনতা কারফিউ জারি করেছে মহারাষ্ট্র সরকার। রাজ্যবাসী যাতে কোভিড প্রোটোকল মেনে চলেন সেব্যাপারে সরকারিস্তর থেকেও চলছে প্রচারাভিযান। একইভাবে তামিলনাড়ুতেও লকডাউন করে করোনা লাগাম টানার চেষ্টায় প্রশাসন।

অন্যদিকে, এরাজ্যেও করোনা পরিস্থিতি উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। ব্রিটেনের করোনা স্ট্রেনের পর এবার দক্ষিণ আফ্রিকার করোনা স্ট্রেনও ঢুকে পড়েছে বাংলায়। ইতিমধ্যেই দক্ষিণ আফ্রিকা ও ব্রিটেনের করোনা স্ট্রেনের হামলায় এরাজ্যের ৪ জন আক্রান্ত হয়েছেন। তাঁদেরই একজনকে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকা ও ব্রিটেনের করোনা স্ট্রেনে আক্রান্ত চারজনই সপ্তাহখানেক বিদেশ থেকে ফিরেছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এরাজ্যে এসে তাঁরা কাদের সংস্পর্শে এসেছেন তা চিহ্নিত করার চেষ্টা করছে স্বাস্থ্য দফতর।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.