করোনা ভাইরাস

নয়াদিল্লি: চোখ রাঙাচ্ছে করোনা। দেশজুড়ে আবারও বাড়ল দৈনিক সংক্রমণ, পাল্লা দিয়ে বাড়ল মৃত্যু। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১৮ হাজার মানুষ। একইসঙ্গে গত একদিনে দেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে আরও ২৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। গোদের উপর বিষফোঁড়ার মতো জুড়েছে করোনার নয়া স্ট্রেন। দেশজুড়ে করোনার নয়া স্ট্রেনে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৭১।

নতুন বছরের শুরুতেও করোনা হানা জারি দেশে। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুয়ায়ী দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১৮ হাজার ৮৮ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনার বলি ২৬৪ জন।

সব মিলিয়ে বুধবার সকাল পর্যন্ত গোটা দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১ কোটি ৩ লক্ষ ৭৪ হাজার ৯৩২। এরই পাশাপাশি দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ লক্ষ ৫০ হাজার ১১৪। একদিকে যেমন আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, তেমনি সুস্থও হচ্ছেন অনেকে। দেশে এখনও পর্যন্ত করোনামুক্ত হয়েছেন ৯৯ লক্ষ ৯৭ হাজার ২৭২ জন। বর্তমানে দেশে করোনা অ্যাক্টিভ কেস ২ লক্ষ ২৭ হাজার ৫৪৬ জন।

দেশে সর্বাধিক করোনা সংক্রমিত রাজ্য মহারাষ্ট্র। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুয়ায়ী বুধবার সকাল পর্যন্ত সেরাজ্যে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১৯ লক্ষ ৫০ হাজার ১৭১। একইসঙ্গে সেরাজ্যে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৯ হাজার ৭৫৯।

দক্ষিণের রাজ্যগুলিতেও এখনও নিয়ন্ত্রণে নয় পরিস্থিতি। প্রতিদিন সেই রাজ্যগুলিতে নতুন করে ছড়াচ্ছে সংক্রমণ। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বুধবার সকাল পর্যন্ত অন্ধ্রপ্রদেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৮ লক্ষ ৮৩ হাজার ৫৮৭, কর্নাটকে ৯ লক্ষ ২৩ হাজার ৩৫৩, কেরালায় ৭ লক্ষ ৮৪ হাজার ৪৮৮, তামিলনাড়ুতে ৮ লক্ষ ২২ হাজার ৩৭০ জন।

একইভাবে উত্তর ভারতের রাজ্যগুলিতেও সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী। রাজধানী দিল্লিতে বুধবার সকাল পর্যন্ত নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৬ লক্ষ ২৭ হাজার ৬৯৮, হরিয়ানায় ২ লক্ষ ৬৩ হাজার ৫৭১, রাজস্থানে ৩ লক্ষ ১০ হাজার ৬৭৫ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। সংক্রমণ ছড়াচ্ছে বাংলাতেও।

স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী বুধবার সকাল পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৫ লক্ষ ৫৬ হাজার ৩৮৪।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।