File Pic

ইটানগর: চিনের সঙ্গে ভারতের সংঘাত নতুন কিছু নয়। আর সেই অংশে এই সংঘাতের প্রবণতা বেশি, সেদিকেই একটা আস্ত ব্রিজ বানিয়ে ফেলল ভারত, যা চিনকে রীতিমত চিন্তায় ফেলবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

অরুণাচল প্রদেশে তৈরি করা হল ব্রিজ। যা নাকি ৪০ টন ভার বহন করতে সক্ষম। এই সেতু দিয়ে সেনাবাহিনী ও সেনার সরঞ্জাম দ্রুত নিয়ে যাওয়া সম্ভব বলেই মনে করা হচ্ছে।

ভারতের ওই অংশেই সংঘাতের সম্ভাবনা সবধেকে বেশি ভারত-চিনের মধ্যে। কিন্তু ওই অঞ্চে যাতায়াতের অসুবিধা থাকায়, ভারত সঠিকভাবে নজরদারি চালাতে পারত না। তাই এই সেতু। এর ফলে ওই অংশে জিনিসপত্র নিয়ে যাওয়া যাবে সহজেই।

অনেক রাস্তা চওড়া করে সীমান্ত পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। সেরকমই আরেকটি বড় পদক্ষেপ করল সরকার। অরুণাচল প্রদেশে সুবনসিরি নদীর উপর দাপোরিজো ব্রিজের উদ্বোধন করা হল। এক মাসেরও কম সময়ে এই সেতু তৈরি হয়েছে। লকডাউন চলার সময়েও জরুরিভিত্তিতে কাজ করেছেন বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশনের কর্মী ও অফিসাররা।

শতাধিক শ্রমিক এই নির্মাণকাজে অংশ নিয়েছেন। দুটি গাড়ি পাশাপাশি পার হতে পারবে এই সেতুতে। অনেক নিচে রয়েছে খরস্রোতা নদী। মূলত যাতায়াতের সুবিধা ছাড়াও চিন সীমান্তে দ্রুত লক্ষাধিক সৈন্য এবং সাঁজোয়া গাড়ি এই সেতু দিয়ে পারাপার করানো যাবে। তবে ভারী ট্যাঙ্ক পার হতে সময় লাগবে।

২০১৭ তে ডোকলামে সংঘাত হয়েছিল ভারত-চিনের। সেই ডোকলামের কাছেই তৈরি করা হয়েছে এই নতুন সেতু। কয়েক মাস ধরে ভারত-চিনের মধ্যে চলেচিল সেই সংঘাত। ১৯৬২-র পর এটাই ছিল ভারত ও চিনের মধ্যে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ সংঘাত।

অসমে ধোলা-শদিয়া সেতুর পর দেশের দীর্ঘতম ও এশিয়ার দ্বিতীয় দীর্ঘতম ব্রিজ বগিবিল। ৪.৯৪ কিলোমিটারের এই ব্রিজ নির্মাণে খরচ হয়েছে ৫,৯০০ কোটি টাকা। এর ফলে অসমের ডিব্রুগড় থেকে অরুণাচলের রাজধানী ইটানগরের মধ্যে দূরত্ব অনেকটাই কমেছে। ফলে চিন সীমান্তে অনেক কম সময়য়েই অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করতে পারবে ভারত।

Proshno Onek II First Episode II Kolorob TV