নয়াদিল্লি: ভারত-চিন বৈঠক শেষে বড় সিদ্ধান্ত ঘোষণা করল বিদেশমন্ত্রক। ষষ্ঠ রাউন্ড বৈঠক শেষে মঙ্গলবার বিশেষ বিবৃতি প্রকাশ করা হল কেন্দ্রের তরফে।

এদিনের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২১ সেপ্টেম্বর ভারত ও চিনের কমান্ডারদের মধ্যে ষষ্ঠ রাউন্ড বৈঠক শেষ হল। দুই দেশের তরফে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দুই দেশই লাদাখের ফ্রন্টাকাইনে অতিরিক্ত সেনা পাঠানো থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

ভারত ও চিন দুই দেশের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি মিটিয়ে নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, শীঘ্রই সপ্তম রাউন্ডের বৈঠক হবে ভারত-চিনের মধ্যে।

রাজনাথ ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন, লাদাখে ভারতীয় ভুখন্ডের ৩৮ হাজার বর্গ কিমি জুড়ে চিন সেনার অবস্থান। রাজ্যসভায় তিনি বলেন যে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল লাদাখে অন্তত ৩৮,০০০ বর্গ কিমি এলাকা বেআইনি ভাবে দখল করে রেখেছে চিন। এর পাশাপাশি তথাকথিত ১৯৬৩-র Sino-Pakistan Boundary Agreement অনুযায়ী পাক অধিকৃত কাশ্মীরের ৫১৮০ বর্গ কিলোমিটার এলাকা পাকিস্তান চিনকে দিয়েছে ফের মনে করিয়ে দেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী।

এদিন নয়াদিল্লিতে যে বৈঠক হয়েছে, তাতে গোটা দেশের সীমান্ত পরিস্থিতিই নিয়ে আলোচনা চলে। অর্থাৎ শুধু লাদাখ সীমান্ত নয়, অরুণাচল প্রদেশে চিনা সেনার দখলদারি মনোভাব নিয়েও আলোচনা হয় এদিনের বৈঠকে। সংবাদসংস্থা এএনআই সরকারি সূত্র উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, ডোকলাম পরিস্থিতিও খতিয়ে দেখা হয় এদিনের বৈঠকে।

সীমান্ত জুড়ে চিনা সেনার অবস্থান, নেপাল ও ভুটানের মাটিকে ব্যবহার করে ভারতের বিরোধিতা করার চিনা পরিকল্পনার বিষয়ে এদিন কথা হয়। রাশিয়ায় এসসিও সম্মেলনে কর্পস কমান্ডার স্তরে ভারত চিন বৈঠক হওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও, পরে সেই বৈঠকে চিনের অনীহা প্রকাশ নিয়েও কথা হয় এদিন।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।