নয়াদিল্লি : সমস্যা মেটেনি। সীমান্তে ঠান্ডা লড়াইয়ের উত্তাপ কমাতে রবিবার নবম দফার বৈঠকে বসছে ভারত ও চিন। কর্পস কমান্ডার স্তরের বৈঠকে সদর্থক ফলাফল আসবে, আশা করছে ভারত। ভারতীয় প্রান্ত চুশুল ও চিনের প্রান্ত মলডোতে সকাল সাড়ে নটায় এই বৈঠক শুরু হওয়ার কথা। নভেম্বর মাসে শেষ বার বৈঠকে বসে ভারত ও চিন। তবে ফল লাভজনক হয়নি।

সীমান্ত সমস্যার অচলাবস্থা কাটেনি। তারই মাঝে ফের মুখোমুখি দুই দেশ। আলোচনায় উঠে আসবে সীমান্ত বরাবর দুই দেশের সেনার অবস্থানের প্রসঙ্গ। পূর্ব লাদাখের প্যাংগং লেকের ধারে দুই দেশের সেনা অবস্থান নিয়েই সমস্যা। ইতিমধ্যেই প্রায় ৫০ হাজার সেনা মোতায়েন করেছে ভারত।

চিনের সেনা সংখ্যাও প্রায় একই। নভেম্বর মাসের আগে ভারত চিন বৈঠক হয় ১২ই অক্টোবর। এরপরেই ভারতে আসেন মার্কিন প্রতিরক্ষা ও বিদেশ সচিব। তবে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে দেয় ভারত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চাপে যে ভারত চিনের সঙ্গে বৈঠকে বসছে না, তা জানিয়ে দেয় নয়াদিল্লি।

বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব জানিয়ে ছিলেন সামরিক ও কূটনৈতিক স্তরে চিনের সঙ্গে আলোচনা চলবে। কোনও তৃতীয় ব্যক্তি সেখানে হস্তক্ষেপ করবে না। সীমান্ত সমস্যা মেটানোর জন্য ভারত আলোচনা ও বৈঠকে বিশ্বাসী। তবে শনিবার চিনকে কড়া বার্তা দেন বায়ুসেনা প্রধান আর কে এস বাদোরিয়া। তিনি বলেন চিন যেন কোনও ভুল না করে। ভারতও আক্রমণ করতে জানে। যদি সীমান্তে চিন আগ্রাসী মনোভাব দেখায়, তবে ভারতও তার যথাযোগ্য উত্তর দিতে জানে। তাই চিন যেন সতর্ক থাকে।

শনিবার চিনের মনোভাব নিয়ে প্রশ্ন করা হয় বায়ুসেনা প্রধান বাদোরিয়াকে। তিনি তার উত্তরে বলেন ভারতের সঙ্গে যদি জটিল পরিস্থিতিতে জড়াতে চায় চিন, তবে যেন মর্মান্তিক পরিণতির জন্য তৈরি থাকে। ভারতের আক্রমণ চিনের জন্য ভালো হবে না।

এদিন বাদোরিয়া জানান, ভারত চিন সীমান্ত সংঘাতের সময় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়নি, যেখানে এয়ারস্ট্রাইক চালাবে বায়ুসেনা। তবে বায়ুসেনা তৈরি যে কোনও সময় এয়ার স্টাইকের জন্য। তিনি বলেন সীমান্তে চিনের আগ্রাসী মনোভাব ও দখলদারির স্বভাব ভারত সুনিপুণ দক্ষতায় রুখে দিয়েছে। ভারতীয় সেনা ও বায়ুসেনার কড়া নজরদারিতে এগোতে সাহস পায়নি চিন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।