নয়াদিল্লি: গালওয়ান উপত্যকায়‌‌ যেভাবে ‌ভারত চিন মুখোমুখি দাঁড়িয়ে পড়েছে তাতে যেন ভারতের শিল্প জগতকে আরো বেশি করে প্রতিযোগিতার জন্য জাগিয়ে তোলার ঘন্টি বাজাচ্ছে। বৃহস্পতিবার বণিকসভা কনফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রি (সিআইআই) এমনই অভিমত প্রকাশ করেছে।

গত ছয় সপ্তাহ ধরে লাডাক অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে ভারত এবং চিনের সেনারা মুখোমুখি দাঁড়িয়ে পড়ে উত্তেজনা ছড়াচ্ছে। ইতিমধ্যেই ২০ জন ভারতীয় সেনার মৃত্যু হয়েছে গালওয়ান উপত্যকায়। এই পরিস্থিতিতে শিল্প জগৎ সরকারের পাশে থাকছে ভারতের সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে নিশ্চয়তা দিতে। সিআইআই এর পক্ষ থেকে বিবৃতিতে একথা জানানো হয়েছে।

যখন দেশের সীমান্ত সুরক্ষিত রাখার চেষ্টা চালানো হচ্ছে, তখনই আবার সরকারকে লড়তে হচ্ছে দেশের মধ্যে অতি মহামারীর সঙ্গে। এটা অবশ্যই একটা চ্যালেঞ্জের সময়। যদিও আবার প্রতিটা চ্যালেঞ্জই আবার একটা সুযোগ। আর দেশ হিসেবে কয়েনের অন্য দিকটা দেখা উচিত বলে জানিয়েছে সিআইআই।

এখন এটাই উপযুক্ত সময় কৌশলগত দিক থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার যাতে ভারতকে নিশ্চিত করা যায় অর্থনৈতিক দিক থেকে আরও বেশি করে স্বনির্ভর হওয়া, প্রতিযোগী হয়ে ওঠা এবং গোটা দুনিয়ার সঙ্গে যুক্ত থাকার বলে অভিমত এই বণিকসভার।

আরও জানিয়েছে, দুনিয়া দেখছে ভারত খুবই ইতিবাচক ভাবে এবং সব রকম চেষ্টা চালাচ্ছে যাতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বড়োসড়ো জায়গা করে নিতে পারে গ্লোবাল ভ্যালু চেইন সমন্বয়ের মাধ্যমে। সিআইআই ২০২৫ সালের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা রেখেছে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ভারতের যাতে পণ্যদ্রব্য ও পরিষেবা ক্ষেত্রে যথাক্রমে ৫ শতাংশ এবং ৭ শতাংশ অংশীদারিত্ব থাকে।

সিআইআই পর্যবেক্ষণ করছে, এটাই সময় ভারতীয় শিল্পের ক্ষেত্রে অন্তর্দর্শন করা এবং লক্ষ্য করা যাতে আরো বেশি করে পদক্ষেপ করা যাতে প্রতিযোগিতামূলক হয়ে ওঠা যায়। এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানের প্রতিযোগী হয়ে ওঠার জন্য প্রতিটি কোম্পানি স্তরে লগ্নি করতে হবে প্রযুক্তিগত দিক থেকে । তাছাড়া রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সরকারকে কাজ করতে হবে সবথেকে ভালো লগ্নির পরিবেশ তৈরি করার জন্য। বর্তমান পরিস্থিতি শিল্প জগতকে জাগিয়ে তোলার ঘন্টা বাজাচ্ছে এবং সিআইআই এক্ষেত্রে দায়বদ্ধ পূর্ণ সংকল্প নিয়ে।

Proshno Onek II First Episode II Kolorob TV