নয়াদিল্লি: করোনা আবহেও ভারত-চিন সীমান্তে উত্তেজনা অব্যাহত। দু’দেশই দ্বন্দ্ব বিরোধ মেটাতে কূটনৈতিক আলোচনাতেই জোর দিচ্ছে। এক্ষেত্রে ভারত সরকারের অবস্থানও সদর্থক। কেন্দ্রও কূটনৈতিকভাবেই এই বিরোধ মেটাতে আগ্রহী। কেন্দ্রের এই মনোভাবের ইঙ্গিত দিয়েছেন বিজেপির সাধারণ সম্পাদক রাম মাধব। যদিও এব্যাপারে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে স্পষ্ট কোনও বার্তা এখনও দেওয়া হয়নি।

লাদাখ সীমান্তে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার ওপারে চিন যুদ্ধাস্ত্র মজুত করছে। দিনে-দিনে সেইসব সমরাস্ত্রের বহর বাড়ানো হচ্ছে। একইসঙ্গে সীমান্তে সেনা গতিবিধিও লক্ষ্যণীয়ভাবে বাড়াচ্ছে বেজিং।

চিনা গতিবিধি তৎপর হতেই পাল্টা ব্যবস্থা নিয়েছে ভারতও। লাদাখতো বটেই এমনকী সিকিমেও চিন সীমান্ত বরাবর বাড়তি সেনা মোতায়েন করেছে ভারত। ইন্দো-চিন সীমান্তে গত কয়েকদিন ধরেই টানটান উত্তেজনা রয়েছে।

বিরোধ মেটাতে দিন কয়েক আগেই এসেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়েছিলেন, দু’দেশ চাইলে তিনি জট কাটাতে হস্তক্ষেপ করতে পারেন। বেজিং তৎক্ষণাৎ সেই প্রস্তাব নাকচ করেছে। ভারতও সমস্যা মেটাতে আমেরিকার প্রস্তাবে সরাসরি সায় দেয়নি।

এই পরিস্থিতিতে সীমান্তে উত্তেজনা কমাতে কূটনৈতিকস্তরে আলাপ-আলোচনাই পথ দেখাতে পারে বলে মনে করেন বিজেপির সাধারণ সম্পাদক রাম মাধব।

বিবিসি হার্ড টক শীর্ষক একটি অনুষ্ঠানে বিজেপির ওই কেন্দ্রীয় নেতা বলেছেন, ‘সীমান্তে যা চলছে তা অত্যন্ত গুরুতর। তবে উভয় দেশের নেতৃত্বই বিষয়টি নিয়ে সজাগ রয়েছেন। কূটনৈতিকস্তরে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলছে।’

রাম মাধব আরও বলেছেন, ‘দ্বন্দ্ব মেটাতে আগেও একাধিকবার উভয় দেশের সেনা পর্যায়ে আলোচনা হয়। তা ফলপ্রসূ না হওয়ায় বেজিংয়ের সঙ্গে কূটনৈতিকস্তরে আলোচনা চলছে।’

Proshno Onek II First Episode II Kolorob TV