নয়াদিল্লি: ক্রমশ চিন সীমান্তে দেওয়াল তুলতে শুরু করেছে ভারত। একটু একটু তেরি করছে সামরিক প্রাচীর। কৌশলগত কিছু পরিবর্তনও আনা হয়েছে। আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে একাধিক সুখোই-৩০এমকেআই যুদ্ধবিমান আর স্পাই ড্রোন মোতায়েন করা হয়েছে। অন্যদিকে, উত্তর-পূর্ব সীমান্তে মিসাইল দিয়ে তৈরি করা হয়েছে কড়া নিরাপত্তা বলয়। আর পূর্ব লাদাখে ট্যাংক দিয়ে ‘চিনের প্রাচীর’ তৈরি করেছে ভারত

ভারতীয় বিমানবাহিনী অরুণাচল প্রদেশে পশ্চিম সিয়াং-এ পাশিঘাট অ্যাডভান্সড ল্যানডিং গ্রাউন্ডও তাড়াতাড়ি চালু করার চেষ্টা করছে। এই এলাকাটিকে ‘স্ট্র্যাটেজিক অ্যাসেট’ হিসেবে বর্ণনা করে ভারতীয় বায়ুসেনার দাবি এখান থেকে যুদ্ধবিমান এবং হেলিকপ্টার দুটোই উড়বে।  ‘এএলজি’ চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরো পূর্ব ভারতের আকাশপথে বিমান চলাচল ব্যবস্থা অনেক সহজ হয়ে যাবে। এছাড়াও ভারতের পক্ষে আকাশপথে নজরদারি চালানোও অনেক সহজ হয়ে যাবে।

একইভাবে আন্দামান দ্বীপপুঞ্জেও সুখোই ৩০ এমকেআই যুদ্ধবিমান এবং সি-১৩০জে সুপার হারকিউলিস মোতায়েন করা হবে। এছাড়াও নজরদারি চালানোর জন্যে থাকবে অ্যান্টি সাবমেরিন ওয়ারফেয়ার পোসেইডন-৮আই এয়ারক্রাফ্ট। যার মূল লক্ষই হবে ভারত মহাসাগরের ওপর চিনের গতিবিধি লক্ষ্য রাখা। তবে সড়ক ও রেল যোগাযোগের ক্ষেত্রে বড় বাধা প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় অসমাপ্ত ৪,০৫৭ কিমির কাজ। এই জায়গাটা প্রায়শই চিনা সেনাবাহিনীর থেকে আক্রমণের মুখে পড়ে।