নেপিদ: মায়ানমারে রোহিঙ্গাদের জন্য ভারতের নির্মিত ৫০টি বাড়ি আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করল দিল্লি। প্রেসিডেন্ট রামনাথ কোবিন্দ ও মায়ানমারের প্রেসিডেন্ট উ উয়িন মিন্তের মধ্যে বৈঠকের পর বাড়িগুলি হস্তান্তরিত হয়।

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের রাখাইনে ফেরত পাঠাতে এবং অনুকূল পরিবেশ ফেরাতে গত বছর মায়ানমারের সঙ্গে উন্নয়ন প্রকল্প চুক্তি সই করে ভারত। এতে মায়ানমারেরোহিঙ্গাদের জন্য বাড়ি নির্মাণে মায়ানমার সরকারকে সাহায্যের কথা বলে দিল্লি। চুক্তি অনুযায়ী এরকম ২৫০টি বাড়ি নির্মাণের কথা। এর মধ্যে প্রথম ধাপে ৫০টি বাড়ি নির্মাণের কাজ শেষ হয়। আর মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে বাড়িগুলো মায়ানমার সরকারের কাছে হস্তান্তর করে ভারত।

বর্তমানে মায়ানমার সফরে থাকা প্রেসিডেন্ট রামনাথ কোবিন্দের টুইটার অ্যাকাউন্টে এ কথা জানানো হয়। টুইটে বলা হয়, ‘মায়ানমারের রাখাইনে উন্নয়ন প্রকল্পের অংশ হিসেবে ২৫০টি বাড়ি তৈরি করছে ভারত। প্রথম ধাপে ৫০টি বাড়ি আজ আনুষ্ঠানিকভাকে মায়ানমার কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

সোমবার থেকে তিন দিনের জন্য মায়ানমার সফর করছেন রামনাথ কোবিন্দ। এটাই ভারতের কোনও রাষ্ট্রপতি যিনি প্রথম মায়ানমার সফর করলেন। রাখাইনে রোহিঙ্গা নিধনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের সঙ্গে মায়ানমারের সম্পর্কের অবনতি হলেও ভারতের সঙ্গে মায়ানমারের সম্পর্ক ঘনিষ্ট হয়েছে। গত তিন বছরে দেশ দুটির শীর্ষ নেতারা নিয়মিত পরস্পরের দেশ সফর করেছেন। গত বছর মায়ানমার সফর করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে আসিয়ানের স্মারক সম্মেলনে যোগ দিতে ভারত সফর করেন অং সান সু চি। সম্প্রতি দিল্লিতে এক সংবাদ সম্মেলনে ভারতের বিদেশ সচিব বিজয় গোখলে জানান, এসব সফরের মধ্য দিয়ে মায়ানমারের সঙ্গে ভারতের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা সম্পর্ক জোরালো হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I