নয়াদিল্লি: ভারত-চিন সীমান্তে সংঘাত চলছে এখনও। একদিকে যেমন দফায় দফায় দুই দেশের বৈঠক চলছে, অন্যদিকে এই সব বিষয় একাধিক দেশকে জানাল ভারত।

শুক্রবার জানা গিয়েছে, ভারতের বিদেশ সচিব হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা এই বিষয়ে আমেরিকা, ফ্রান্স, জার্মানি, রাশিয়া, জাপানকে ব্যাখ্যা দিয়েছে। লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোলে ঠিক কী পরিস্থিতি তা জানানো হয়েছে। সীমান্ত সমস্যা সমাধানে গত এক সপ্তাহ ধরে কি আলোচনা হয়েছে তাও জানানো হয়েছে।

মার্কিন সচিব মাইক পম্পেও সীমান্তে শান্তিরক্ষায় ভারতের প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ দিয়েছেন। অন্যদিকে, জাপানের রাষ্ট্রদূত সাতোশি সুজুকিও জানিয়েছেন যে ভারতের সঙ্গে এই বিষয়ে কথা হয়েছে। আর তাতে স্ট্যাটাস কো ভেঙে চিনের কোনও পদক্ষেপ নেওয়ার বিরোধিতা করেছে জাপান।

অন্যদিকে এদিন শুক্রবার হঠাৎ লাদাখ পরিদর্শনে যান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সীমান্তে দাঁড়িয়েই চিনকে কড়া বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন ‘গালওয়ান আমাদের’। লাদাখ সীমান্তে মোতায়েন সেনাবাহিনীর মনোবল বাড়াতে শুক্রবার ভোরেই লাদাখে পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। লেহ থেকে সেনার চপারে করে নিমুতে ফরোয়ার্ড পোস্টে পৌঁছন মোদী।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গী ছিলেন চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল বিপিন রাওয়াত ও সেনাপ্রধান মনোজ মুকুন্দ নারাভানে। সীমান্তে মোতায়েন সেনার মনোবল বাড়াতে তাঁদের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

এরপর সেনাবাহিনীকে উদ্দেশ্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের বীরত্বের জন্যই দেশ আজ সুরক্ষিত।’ লাদাখ সীমান্তে চিনা আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ভারত একজোটে লড়াই করবে বলে বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘বর্তমান বিশ্বে সাম্রাজ্যবাদী মানসিকতার কোন জায়গা নেই। গোটা বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা হলে বিপদ ডেকে আনে সাম্রাজ্যবাদী শক্তি। যদিও বারবার সেই সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে হারতেই হয়েছে, ইতিহাসই তার সাক্ষ বহন করছে। ভারত শান্তির কথা বলে। লাদাখ হল দেশের মুকুট। গালওয়ান উপত্যকা আমাদের।’

এরই পাশাপাশি সেনাবাহিনীকে উৎসাহিত করতে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, মাতৃভূমির প্রতি আপনাদের সাহসিকতা সারা বিশ্বজুড়ে অতুলনীয়। ভারতবাসী বিশ্বাস করে, ভারতীয় সেনারা প্রত্যেকে দেশকে শক্তিশালী ও সুরক্ষিত করতে পারে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ