নয়াদিল্লি: লাদাখের ঘটনার পুনরাবৃত্তি এড়াতে এবার জোর কদমে প্রস্তুতি শুরু করল ভারত। বছর দুই আগে মহাকাশ যুদ্ধের প্রস্তুতি শুরুর বার্তা দিয়েছিল কেন্দ্র। এবার তারই তোড়জোড় শুরু হল। মহাকাশ প্রতিরক্ষা সংস্থা বা ডিফেন্স স্পেস এজেন্সি (DSA) নতুন কর্মসূচি শুরু করেছে। লক্ষ্য প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ অর্জন।

এই সংস্থায় রয়েছে দেশের তিন সামরিক বাহিনীর আধিকারিকরা। এছাড়া DRDO-র প্রতিনিধিরাও এই সংস্থার সঙ্গে যুক্ত। এছাড়া বেসরকারি বিজ্ঞান সংস্থারও সাহায্য নেওয়া হচ্ছে বলে খবর। প্রসঙ্গত, এর আগে ২০১৯ সালে এমনই একটি উদ্যোগ নিয়েছিল ভারত। বছরের ২৭ মার্চ এস্যাট ক্ষেপণাস্ত্র ভূপৃষ্ঠের ৩০০ কিলোমিটার উপরের একটি বাতিল উপগ্রহকে ধ্বংস করেছিল। DRDO-র ‘মিশন শক্তি’ কর্মসূচিতে এই পদক্ষেপ নিয়েছিল ভারত। ওড়িশার এ পি জে আব্দুল কালাম উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে ছাড়া হয়েছিল সেই ক্ষেপণাস্ত্র।

তার ২ বছর পর এই কর্মসূচি নেওয়া হল। এই ক্ষেপণাস্ত্র নির্দিষ্ট কম্পনের তরঙ্গ উৎপন্ন করতে পারে এবং এর সাহায্য নির্দিষ্ট লক্ষ্যে আঘাত হানতে সক্ষম। এছাড়া এটি মহাকাশ যুদ্ধের কৌশল ও মহাকাশের পরিবেশ রক্ষার দিকেও নজর দেবে। কারণ এস্যাট ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের সময় ভারতের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। নাসা বলেছিল, উপগ্রহের ধ্বংসাবশেষ মহাকাশে ঘোরাফেরা করছে। ফলে দূষণ ছড়াচ্ছে। যদিও নাসার বিরুদ্ধেও এই অকই অভিযোগ উঠেছিল কারণ তারাই ছিল সামরিক উদ্দেশ্যে মহাকাশ ব্যবহারের পথপ্রদর্শক। পরে অবশ্য রাশিয়া এবং চিন এই দলে নাম লেখায়। তাদের বিরুদ্ধেও মহাকাশে দূষণ ছড়ানোর অভিযোগ ওঠে।

এমনকী গত বছরও চিন উপগ্রহ ধ্বংসের মিশন চালিয়েছিল। একটি উপগ্রহ ধ্বংসকারী ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করেছিল তারা। অনেকেই তখন মনে করেছিলেন, ভারতকে শক্তি দেখাতেই চিনের এই মিশন। সম্প্রতি আমেরিকা জানিয়েছে ভারতকে জবাব চিনে ফের প্রস্তুতি নিচ্ছে চিন। প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে মহাকাশকে কাজে লাগানোর কথা ভাবছে তারা। এরপরই ভারতের এই উপগ্রহ ধ্বংসকারী ক্ষেপণাস্ত্রের পদক্ষেপ চিনকে চাপে রাখার ইঙ্গিত বলেই মনে করা হচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.