ppe

নয়াদিল্লি: কিছুদিন আগেই শোনা গিয়েছিল ভারত চিনের সহ অন্যান্য দেশ থেকে পার্সোনাল প্রোটেকশন ইক্যুইপমেন্ট নিচ্ছে, তবে এখন সে সব অতীত। পিপিই উৎপাদনে এখন বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহত্তম ভারত। মাত্র দু’মাস সময়ের মধ্যে অনেকটা বেশি কাজ করে এই স্থান অর্জন করেছে ভারত। দেশে স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষার দিকে তাকিয়ে পিপিই কিটের প্রয়োজন মেটাতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় গত কয়েক মাস আগে।

সেই মতো যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয় কাজ। অতিরিক্ত সময় আর চেষ্টা, পিপিই উৎপাদনে বিশ্বের তাবড় তাবড় দেশকে পিছনে ফেলল ভারত। রিপোর্ট অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারিতেও ভারত পিপিই কিট আমদানি করেছে।

করোনা ভাইরাস যখন দেশে থাবা বসিয়েছে তখন দেশীয়ভাবে তা তৈরির কোনও ব্যবস্থা ছিল না। বিশ্বের বুকে পিপিই কিটের সংকটের দিকে তাকিয়ে ভারত একমাত্র দেশ হিসেবে মেডিক্যাল ক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্য ৫২ হাজার কিট আমদানি করেছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রকগুলি প্রাইভেট সেক্টরের সঙ্গে যৌথ প্রচেষ্টায় এই কাজ করেছে। ভারতের শীর্ষস্তরের ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি যেমন, অরবিন্দ মিল, ৩এম, ইণ্ডিয়ান টেকনিক্যাল টেক্সটাইল অ্যাসোসিয়েশন এবং অন্যান্যরা যারা যুক্ত ছিল তাঁরা ডিআরডিও-র ল্যাবরেটরিতে টেস্টিংয়ে ব্যাস্ত ছিল।সেই ফলস্বরূপ ভারত বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পিপিই কিট উৎপাদক।

তবে শুধু তাই নয়, বিশ্বের প্রথম পুনঃব্যবহারকারি পিপিই স্যুট ভারতেই তৈরি হয়েছে। বর্তমানে, ভারত ১.৭ লাখ পিপিই কিট প্রতিদিন প্রস্তুত করতে সক্ষম। উৎপাদন ২ লাখ অবধি নিয়ে যাওয়া হবে এমনটাই জানা গিয়েছে। দেশের চাহিদা মেটানোর পরেই এবার রফতানি করতে চায় ভারত। এখনও অবধি ৮০ লাখ মেড-ইন-ইন্ডিয়া পিপিই কিট স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে যুক্তদের দেওয়া হয়েছে, আরও ১.৫ কোটি শীঘ্রই আসবে।

ভারত আগেই জানিয়েছে, ডাক্তারদের পার্সোনাল প্রোটেকটিভ ইক্যুইপমেন্ট চিন থেকে নেবে না। করোনা পরিস্থিতি তৈরির পর থেকেই চিনের পিপিই কিট হোক বা টেস্টিং কিট, তার গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে অনেক দেশ। ভারত থেকেও গিয়েছে একই অভিযোগ।

তাই চিন থেকে পিপিই কিট নেওয়া হবে না বলেই জানিয়েছে ভারত সরকার। এছাড়াও, মে মাসের মধ্যেই দেশীয় পদ্ধতিতে করোনা ভাইরাস পরীক্ষার কিট উৎপাদন শুরু হবে ভারতে। যা সাধারণের জন্য সুবিধাজনক হবে বলেই স্বাস্থ্যমন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ