অকল্যান্ড: প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে জাতীয় পতাকা তুলে ধরল টিম ইন্ডিয়া৷ শুক্রবার ইডেন পার্কে প্রথম টি-২০ ম্যাচে ২০৩ রান তাড়া করে সহজেই জয় পেল ভারত৷ সেই সঙ্গে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ১-০ এগিয়ে গেল ‘মেন ইন ব্লু’৷ সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ রবিবার এই ইডেন পার্কেই৷

ইডেন পার্কের বাইশ গজে কিউয়ি বোলারদের নিয়ে ছেলেখেলা করল ভারতের তরুণবিগ্রেড৷ টি-২০ ক্রিকেটে দু’শো রান তাড়া করা মোটেই সহজ নয়৷ কিন্তু এক ওভার বাকি থাকতেই ৬ উইকেটে ম্যাচ জিতে নিল ভারত৷ শুরুটা অবশ্য ভারতের ভালো হয়নি৷ বড় রান তাড়া করতে নেমে ওপেনিং জুটিতে মাত্র ১৬ রান যোগ করে টিম ইন্ডিয়া৷ ব্যক্তিগত ৭ রানে দ্বিতীয় ওভারে ডাগ-আউটে ফেরেন রোহিত শর্মা৷

শুরুতেই হিটম্যান-এর উইকেট হারলেও পিছনে তাকায়নি ভারত৷ দ্বিতীয় উইকেটে লোকেশ রাহুল ও বিরাট কোহলি ৯৯ রান যোগ করে ভারতকে ম্যাচ ফিরিয়ে আনে৷ কিন্তু অল্প সময়ের ব্যবধানে রাহুল ও বিরাটের উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ভারত৷ তবে সেখান থেকে সাবলীলভাবে দলকে বের করে আনে টিম ইন্ডিয়ার তরুণবিগ্রেড৷ শ্রেয়স আইয়ারের বিস্ফোরক ব্যাটিং কিউয়ি বোলাদের ম্যাচে ফেরার রাস্তা দেয়নি৷মাত্র ২৯ বলে তিনটি ছক্কা ও পাঁচটি বাউন্ডাারির সাহায্যে ৫৮ রানে অপরাজিত থেকে ভারতকে সহজ জয়ে এনে দেন দিল্লির এই তরুণ৷ দলকে জিতে ম্যাচের সেরা পুরস্কার জিতে নেন শ্রেয়স৷

আইয়ারকে সঙ্গ দেন মনীশ পান্ডে ও শিভম দুবে৷ মুম্বইয়ের তরুণ অল-রাউন্ডার দুবে মনীশের আগে নামায় টিম ম্যানেজমেন্ট৷ ক্রিজে এসেই কিউয়ি বোলারদের আক্রমণ করেন ভারতীয় ক্রিকেটের ‘নয়া যুবরাজ’৷ ৯ বলে একটি ছক্কা ও একটি বাউন্ডারির সাহায্যে ১৩ রান করেন৷ সোধিকে ফের ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে আউট হন তিনি৷ কিন্তু তার পর আইয়ারের যোগ সঙ্গ দেন পান্ডে৷ ১২ বলে একটি ছক্কা-সহ ১৪ রানে অপরাজিত থাকেন মনীশ৷ তবে এদিন বেশি আক্রমণাত্মক ছিলেন শ্রেয়স৷ ছক্কা হাঁকিয়ে ১৯ ওভারেই ম্যাচ শেষ করে দেন দিল্লির এই তরুণ৷

তবে ভারতীয় ইনিংসে তরুণদের প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে দেন কোহলি ও রাহুল৷ এদিন রোহিতের সঙ্গে ইনিংস শুরু করে দুরন্ত হাফ-সেঞ্চুরি করেন রাহুল৷ সোধির বলে সাউদির হাতে ক্যাচ দিয়ে ডাগ-আউটে ফেরার আগে ২৭ বলে ৫৬ রানের বিস্ফোরক ইনিংস খেলেন রাহুল৷ ইনিংসে তিনটি ছয় ও চারটি চার মারেন কর্নাটকের এই ডানহাতি৷ ৩২ বলে একটি ছয় ও তিনটি বাউন্ডারি-সহ ৪৫ রান করে আউট হন কোহলি৷