ক্যানবেরা: ওয়ান-ডে সিরিজ খোয়ানোর দুঃখ ভুলে টি২০ সিরিজে দারুণভাবে শুরু করল টিম ইন্ডিয়া। ক্যানবেরার মানুকা ওভালে প্রথম টি২০ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে ১১ রানে হারিয়ে তিনম্যাচের সিরিজে ১-০ এগিয়ে গেল ভারত। ভারতের দেওয়া ১৬২ রানে লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৫০ রানের বেশি তুলতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া।

কেএল রাহুলের অর্ধশতরান এবং রবীন্দ্র জাদেজার সুপার ক্যামিও ইনিংসের সৌজন্যে মানুকা ওভালে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে এদিন নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৬১ রান তোলে ভারতীয় দল। ওপেনার কেএল রাহুল করেন ৪০ বলে ৫১ রান। শেষদিকে জাদেজার ২৩ বলে অপরাজিত ৪৪ রান বোলারদের হাতে লড়াইয়ের রসদ জুগিয়ে দেয়।

কিন্তু রান তাড়া করতে নেমে অ্যারন ফিঞ্চ এবং ডা’র্সি শর্ট জুটির শুরুটা দেখে আশাবাদী হওয়ার কথা ছিল না। অষ্টম ওভারের চতুর্থ বলে রবীন্দ্র জাদেজার কনকাশন পরিবর্ত যুবেন্দ্র চাহাল যখন ফিঞ্চকে ৩৫ রানে আউট করেন, অস্ট্রেলিয়ার রান তখন ৫৬। ব্যাটিং’য়ের সময় একটি ডেলিভারি রবীন্দ্র জাদেজার হেলমেটে এসে আঘাত করায় দলের চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী জাদেজার পরিবর্ত চেয়ে নেয় ভারতীয় দল।

ফিঞ্চকে ফেরানোর পর ব্যক্তিগত পরের ওভারেই স্টিভ স্মিথকে ১২ রানে ফিরিয়ে দেন চাহাল। এর পরের ওভারে অভিষেককারী টি নটরাজন গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে ফেরাতেই ম্যাচে ফেরে ভারত। কিন্তু চতুর্থ উইকেটে মোসেস হেনরিকসের সঙ্গে ডা’র্সি শর্টের ৩৮ রানের জুটি ফের কাঁটা হয়ে দাঁড়ায় ভারতীয় দলের জন্য। কিন্তু ১৫তম ওভারে নটরাজনের বলে লং-অনে শর্ট (৩৪ রান) পান্ডিয়ার হাতে ধরে পড়তেই ফের মোড় ঘোরে ম্যাচে।

এরপর ভারতীয় বোলারদের দাপটে নিয়মিত কয়েকটি উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে হারিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। ১৮তম ওভারে চাহারের বলে হেনরিকস (৩০) এলবি ডব্লু হয়ে ফিরতেই সব আশা শেষ হয়ে যায় অস্ট্রেলিয়ার। শেষ অবধি ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৫০ রানে থেমে যায় অস্ট্রেলিয়া। ৪ ওভারে ২৫ রানে তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচের নায়ক যুবেন্দ্র চাহাল। তবে আইপিএলে দুরন্ত পারফরম্যান্সের পর আন্তর্জাতিক টি২০ অভিষেকেও নায়ক টি নটরাজন। ৩০ রান দিয়ে বাঁ-হাতি পেসারও নিলেন তিন উইকেট। উইকেট না পেলেও ৪ ওভারে মাত্র ১৬ রান দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখলেন ওয়াশিংটন সুন্দর।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।