বিশেষ প্রতিবেদন: দক্ষিণ এশিয়ার নৌ বাণিজ্যিক খতিয়ানে মঙ্গলময় দিন ২১ জুলাই। সাগর পথে ভারত-বাংলাদেশ প্রথম ট্রান্সশিপমেন্ট চালান বা ট্রানজিট পণ্যবাহী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে নোঙর করবে।

সুদূর উত্তর পূর্বাঞ্চলের অসম, ত্রিপুরা, মেঘালয়, নাগাল্যান্ড, মনিপুর, মিজোরামের মতো বাংলাদেশ সীমান্তে থাকা রাজ্যগুলিতে পণ্য পৌঁছবে চট্টগ্রাম থেকে।

এর ফলে পশ্চিমবঙ্গের শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দর (পূর্বতন কলকাতা বন্দর) থেকে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দর পর্যন্ত বঙ্গোপসাগর সমুদ্র পথ এবং চট্টগ্রাম থেকে উত্তর পূর্ব ভারতের উল্লিখিত রাজ্যে সড়ক পথে পণ্য পরিবহণ শুরু হচ্ছে। পরে খুলনার মোংলা বন্দর দিয়েও একইরকম চালান হবে।

বাংলাদেশ সরকারকে উপযুক্ত বন্দর ভাড়া ও আনুষঙ্গিক খরচ দিয়েই ভারত তার পণ্য কম সময়ে কম ব্যায়ে বিভিন্ন রাজ্যতে পাঠাতে পারবে। ২০১৯ সালের ৫ অক্টোবর নয়া দিল্লিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই প্রক্রিয়ায় স্বাক্ষর করেন।

কলকাতা থেকে ট্রানজিট পণ্য রড ও ডাল নিয়ে প্রথমবারের মতো এম ভি সেঁজুতি জাহাজ নোঙর করবে চট্টগ্রাম বন্দরে। সেই পণ্য চট্টগ্রাম থেকে বাংলাদেশের সড়কপথ দিয়ে আখাউড়া সীমান্ত পেরিয়ে ঢুকবে ত্রিপুরায় এবং অসমে।

বাংলাদেশের মধ্যে দিয়ে এভাবে ট্রানজিট পণ্য চালান করে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সাতটি রাজ্যে পণ্য পরিবহন ব্যয় কমবে অর্ধেকের বেশি।

এক নজরে দূরত্ব কমার পরিসংখ্যান:

চট্টগ্রামের ভৌগোলিক অবস্থান এক্ষেত্রে খুব গুরুত্বপূর্ণ। সেই কারণে দক্ষিণ এশিয়ার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বন্দরটি বেছে নেওয়া হয়েছে।

১. কলকাতা থেকে আগরতলার দূরত্ব ১ হাজার ৬৮০ কিলোমিটার। অথচ চট্টগ্রাম বন্দর থেকে আগরতলার দূরত্ব মাত্র ২৪৮ কিলোমিটার।

২. মেঘালয়ের রাজধানী শিলংয়ের সঙ্গে কলকাতার দূরত্ব ১ হাজার ১৫০ কিলোমিটার। আর চট্টগ্রাম বন্দর থেকে এই দূরত্ব ৫৭০ কিলোমিটার।

৩. মিজোরামের রাজধানী আইজলের সঙ্গে কলকাতার দূরত্ব ১ হাজার ৫৫০ কিলোমিটার। আর চট্টগ্রাম বন্দরের দূরত্ব ৬৫৫ কিলোমিটার।

৪. নাগাল্যান্ডের রাজধানী কোহিমারের সঙ্গে কলকাতার দূরত্ব ১ হাজার ৪৫০ কিলোমিটার। চট্টগ্রাম থেকে দূরত্ব ৮৮০ কিলোমিটার।

এই দিকটি খতিয়ে দেখেই বাংলাদেশের বন্দর ব্যবহার করে উত্তর পূর্ব ভারতে পণ্য পাঠানোর চুক্তি সম্পাদিত হয়। বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে উত্তর পূর্বের সাত রাজ্যে পণ্য পরিবহণ শুরু হওয়ায় খরচ কমে যাবে অর্ধেকেরও বেশি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।