চট্টগ্রাম: বঙ্গোপসাগর ভিত্তিক দক্ষিণ এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ নৌ বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ পর্ব শুরু। ভারত থেকে পণ্য নিয়ে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছে গেল এম ভি সেঁজুতি জাহাজ।

ট্রান্সশিপমেন্ট পদ্ধতিতে সেই পণ্য চট্টগ্রাম থেকে সড়ক পথে উত্তর পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতে চালান হবে।এতে বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে ভারতের সাত রাজ্যে পণ্য পরিবহণে খরচ কমবে অর্ধেকের বেশি।

এই পণ্য উত্তর পূর্ব ভারতের ত্রিপুরা, অসম, মেঘালয়, মিজোরাম, মনিপুর, নাগাল্যান্ডে যাবে। বাংলাদেশের আখাউড়া সীমান্ত হয়ে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলা থেকেই অন্যান্য রাজ্যগুলিতে ঢুকবে সেই পণ্য।

মঙ্গলবার চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছায় এম ভি সেঁজুতি। বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ট্রান্সশিপমেন্ট চুক্তি অনুযায়ী ভারত সরকার বাংলাদেশের বন্দর ব্যবহার করছে। এর জন্য নির্দিষ্ট ভাড়া দেওয়া হবে। চট্টগ্রামের মতো বাংলাদেশের অপর গুরুত্বপূর্ণ খুলনার মোংলা বন্দর দিয়েও পণ্য চালান হবে।

২০১৯ সালে নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উপস্থিতিতে ট্রান্সশিপমেন্ট চুক্তি সম্পাদিত হয়। সেই চুক্তি অনুসারে পরীক্ষামূলকভাবে পশ্চিমবঙ্গের শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি বন্দর ( পূর্বতন কলকাতা বন্দর) থেকে এম ভি সেঁজুতি যাত্রা শুরু করে চট্টগ্রাম পৌঁছে গিয়েছে। বহনকরা পণ্যের মধ্যে রডের পরিমাণ ৫৩.২৫ মেট্রিক টন। ডালের পরিমাণ ৪৯.৮৩ মেট্রিক টন।

এক নজরে দূরত্ব কমার পরিসংখ্যান: চট্টগ্রামের ভৌগোলিক অবস্থান এক্ষেত্রে খুব গুরুত্বপূর্ণ। সেই কারণে দক্ষিণ এশিয়ার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বন্দরটি বেছে নেওয়া হয়েছে।

১.ত্রিপুরা: কলকাতা থেকে আগরতলার দূরত্ব ১ হাজার ৬৮০ কিলোমিটার। অথচ চট্টগ্রাম বন্দর থেকে আগরতলার দূরত্ব মাত্র ২৪৮ কিলোমিটার।

২. মেঘালয়: শিলংয়ের সঙ্গে কলকাতার দূরত্ব ১ হাজার ১৫০ কিলোমিটার। আর চট্টগ্রাম বন্দর থেকে এই দূরত্ব ৫৭০ কিলোমিটার।

৩. মিজোরাম: রাজধানী আইজলের সঙ্গে কলকাতার দূরত্ব ১ হাজার ৫৫০ কিলোমিটার। আর চট্টগ্রাম বন্দরের দূরত্ব ৬৫৫ কিলোমিটার।

৪. নাগাল্যান্ড: রাজধানী কোহিমারের সঙ্গে কলকাতার দূরত্ব ১ হাজার ৪৫০ কিলোমিটার। চট্টগ্রাম থেকে দূরত্ব ৮৮০ কিলোমিটার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।