ঢাকা: মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের অর্থনৈতিক অবস্থা বিশেষ ভালো ছিল না। তবু শুধু আন্তরিকতার কারণে সর্বোচ্চ দিয়ে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করে ভারত। এই সম্প্রীতি বজায় থাকবে৷ দুই দেশের মৈত্রী থাকবে অটুট৷ এমনই জানিয়েছেন বাংলাদেশের খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার৷

মঙ্গলবার দুপুরে নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলায় ভারত সরকারের সাহায্যে নিয়ামতপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ এবং শাংশৈল আদিবাসী স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী ছাত্রীনিবাস ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান তিনি একথা বলেন৷ অনুষ্ঠানে ছিলেন ভারতীয় হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলি দাস৷
তিনি জানিয়েছেন, বাংলাদেশের প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে এক রোল মডেল৷ বাংলাদেশ ও ভারতের জাতীয় সংগীত একই সূত্রে গাঁথা। একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় দুই দেশের মধ্য যে সম্পর্ক তৈরি হয়েছে তা কোনও দিন নষ্ট হবার নয়।

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, খাদ্যমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনার সরকার ঝরে পড়া আদিবাসী ছাত্র-ছাত্রীদের স্কুলমুখী করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ভারত সরকারের আর্থিক সহায়তায় এই পথ আরও প্রশস্ত হয়েছে। দুই দেশের বাণিজ্যের উন্নয়নের জন্য নওগাঁর সাপাহার উপজেলার সীমান্তে স্থলবন্দর করার পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। এই অঞ্চলে একটি স্থলবন্দর বাস্তবায়ন করতে ভারত সরকার এগিয়ে আসবে বলে আমি আশাবাদী।

পড়ুয়াদের ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ কাজে সহযোগিতার পাশাপাশি ভারত সরকার নিয়মিত শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করে আসছে। এতে করে শিক্ষার্থীদের শিক্ষার পরিসর প্রশস্ত হচ্ছে। আমি চাই, বাংলাদেশের এই অঞ্চলের ছেলে-মেয়েরাও সেই সুযোগ গ্রহণ করুক।