স্টাফ রিপোর্টার, মালদহ : দেশভাগ হয়েছে। কিন্তু এক আছে সংস্কৃতি। ভারত-বাংলাদেশ ঐক্য ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও মজবুত করতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বিএসএফ এর দ্বারা আয়োজিত, বিএসএফ ও বিজিবির সাইকেল রেলি এসে পৌঁছালো মালদহের মহদীপুরে।

সাইকেলের এই র‍্যালি শো শনিবার সকালে মালদহের মহদীপুর এসে পৌঁছায়। সেখানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন বিজিবি কমান্ডেন্ট মাহমুদ, বিএসএফের মালদহ সেক্টরের ডিআইজি সঞ্জয় গৌড়, বিএসএফের ২৪ নম্বর ব্যাটালিয়নের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডেন্ট পি পি সিং, জেলার পুলিশ সুপার অলোক রাজরিয়া সহ বিএসএফের আধিকারিক ও বিজেপির আধিকারিক ও কর্মী স্থানীয় গ্রামবাসীরা।

বিএসএফের মালদহ সেক্টরের ডিআইজি সঞ্জয় গৌড় বলেন, “বঙ্গবন্ধু মুজিবুর রহমানের স্মৃতিতে শ্রদ্ধা জানাতে ও ভারত-বাংলাদেশ ঐক্য আরো মজবুত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দু’পক্ষের এ ধরনের সংস্কৃতি আদান-প্রদানের মাধ্যমে সীমান্ত সমস্যা অনেকটা মেটানো যাবে।”

এই বিষয়ে পুলিশ সুপার অলোক রাজুরিয়া বলেন, “দেশভাগ ও সংস্কৃতি একই আছে এপার বাংলা ওপার বাংলার। এই উদ্যোগের মাধ্যমে সংস্কৃতির আদান প্রদান হল। এটা খুব ভাল উদ্যোগ।” এদিন মহদীপুরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়। যেখানে বিএসএফ ও স্থানীয় গ্রামবাসীরা এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।