রাঁচি: দেওধর ট্রফির শুরুতেই বড় জয় তুলে নিল পার্থিব প্যাটেলের নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া-বি দল৷ জেএসসিএ ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে হনুমা বিহারীর নেতৃত্বাধীন ভারতীয়-এ দলকে ১০৮ রানে পরাজিত করল ইন্ডিয়া-বি৷

টস জিতে হনুমা বিহারী প্রথমে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানান পার্থিবদের৷ ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও বাবা অপরাজিতের জোড়া শতরানে ইন্ডিয়া-বি নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেটের বিনিময়ে ৩০২ রান তোলে৷ জবাবে ব্যাট করতে নেমে ইন্ডিয়া-এ ৪৭.২ ওভারে ১৯৪ রানে অল-আউট হয়ে যায়৷

আরও পড়ুন: এই পরিবেশে ফিট থাকা কঠিন, দিল্লির দূষণ নিয়ে উদ্বিগ্ন ছেত্রীও

ইন্ডিয়া-বি দলের শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি৷ ওপেনার প্রিয়ঙ্ক পাঞ্চাল ৩ রান করে আউট হন৷ যশস্বী জসওয়াল সেট হয়েও উইকেট দিয়ে আসেন৷ ৪টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে ৩৪ বলে ৩১ রান করে আউট হন সাজঘরে ফেরেন৷ বাবা অপরাজিতের সঙ্গে জুটি বেঁধে তৃতীয় উইকেটে ১৫৮ রান যোগ করেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়৷ ঋতুরাজ ৮টি চার ও ৪টি ছক্কার সাহায্যে ১২২ বলে ১১৩ রান করে আউট হন৷ অপরাজিত রান-আউট হন ১০১ বলে ১০১ রান করে৷ তিনি ৬টি চার ও ২টি ছক্কা মারেন৷

কেদার যাদব ৫ ও বিজয় শঙ্কর ২৬ রান করে ক্রিজ ছাড়েন৷ কৃষ্ণাপ্পা গৌতম ৮ বলে ১৯ রান করে অপরাজিত থাকেন৷ রবিচন্দ্রন অশ্বিন ৪০ রানের বিনিময়ে ২টি উইকেট নেন৷ জয়দেব উনাদকাট নেন ৪৭ রানে ২টি উইকেট৷ ১টি উইকেট নিলেও ১০ ওভারে ৭৭ রান খরচ করেন সিদ্ধার্থ কউল৷

আরও পড়ুন: এনসিএ’র নয়া রূপদান নিয়ে দ্রাবিড়ের সঙ্গে আলোচনা সৌরভের

‘এ’ দলের হয়ে একা লড়াই চালান ক্যাপ্টেন হনুমা বিহারী৷ তিনি ৮২ বলে ৫৯ রান করে আউট হন৷ এছাড়া অভিমন্যু ঈশ্বরন ২০, দেবদূত পাডিক্কাল ১০, বিষ্ণু বিনোদ ১১, অমনদীপ খাড়ে ২৫, ইশান কিষাণ ২৬ ও শাহবাজ আহমেদ ১৮ রান করে আউট হন৷ খাতা খুলতে পারেননি অশ্বিন৷

রুশ করলিয়া ২০ রানে ৩টি উইকেট নেন৷ মহম্মদ সিরাজ নেন ৩০ রানে ২টি উইকেট৷ ৪০ রানে ১টি উইকেট কৃষ্ণাপ্পা গৌতমের৷

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।