সিডনি: প্রথম চেতেশ্বর পূজারার দুরন্ত ও ঋষভ পন্ত আক্রমণাত্মক ব্যাটিং সিডনি টেস্টে ভারতকে ম্যাচে ফিরিয়েছিল৷ কিন্তু কম সময়ের ব্যবধানে এই দু’জনকে তুলে নিয়ে অজি বোলাররা ভারতকে জোড়া ধাক্কা দিয়েছিল৷ কিন্তু হনুমা বিহারী ও রবিচন্দ্রন অশ্বিনের রক্ষণাত্মক ব্যাটিংয়ে সিডনি টেস্টে ড্র করতে সমর্থ হয় ভারত৷ ফলে সিরিজ ১-১ অবস্থায় ব্রিসবেন উড়ে যাবে দুই দল৷

বিদেশের মাটিতে ভারতের এই ব্যাটিং বহুদিন পর দেখা গেল৷ সিডনিতে ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের লড়াই মনে করিয়ে দিল ২০০১ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক ইডেন টেস্টের কথা৷ ম্যাচের পঞ্চম দিনে এসসিজি-তে ভারতের মাত্র তিন ব্যাটসম্যানকে আউট করতে সক্ষম হলেন অজি বোলাররা৷ ৪০৭ রান তাড়া করতে নেমে ভারত পাঁচ উইকেটে ৩৩৪ রান তোলার পর ম্যাচ ড্র হয়ে যায়৷ ১৫ জানুয়ারি থেকে ব্রিসবেনে শুরু হচ্ছে বর্ডার-গাভাস্কর ট্রফির চতুর্থ তথা শেষ টেস্ট৷

শেষবারও অস্ট্রেলিয়া সফরে সিডনি টেস্ট ড্র করেছিল ভারত৷ এদিন ম্যাচ ড্র করতে বড় ভূমিকা নেন পন্ত, পূজারা, বিহারী ও অশ্বিন৷ পন্তের আক্রমণাত্মক ব্যাটিং এবং পূজারার রক সলিড ডিফেন্স এবং অশ্বিন ও বিহারীর ম্যাচ বাঁচানো ইনিংসে ভর করে সিডনি টেস্টে ড্র করে ভারত৷ দ্বিতীয় ইনিংসে ভারত ১৩১ ওভার ব্যাটিং করে৷ এর মধ্যে ১০২ ওভার ব্যাটিং করেন পূজারা, পন্ত, বিহারী ও অশ্বিন৷ গত ১৯ বছরে বিদেশের মাটিতে দ্বিতীয় ইনিংসে একশোর বেশি ওভার ব্যাটিং করে নজির গড়ে টিম ইন্ডিয়া৷

সোমবার ম্যাচের পঞ্চম দিনের শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি ভারতের৷ দুই উইকেটে ৯৮ রান নিয়ে খেলতে নেমে মাত্র ৪ রান যোগ করেই ক্যাপ্টেন অজিঙ্ক রাহানের উইকেট হারায় ভারত৷ আগের দিনের স্কোরেই ব্যক্তিগত ৪ রানে লায়নের বলে ম্যাথু ওয়েডের হাতে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন ভারত অধিনায়ক৷ শুরুতেই রাহানের উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ভারত৷

কিন্তু সেখান থেকে দলকে টেনে তোলেন পূজারা ও পন্তের দুরন্ত লড়াই৷ চতুর্থ উইকেটে ১৪৮ রান যোগ করেন পূজারা ও পন্ত৷ ১১৮ বলে ৯৭ রানে দুরন্ত ইনিংস খেলেন পন্ত৷ পূজারা ও পন্ত যখন ভারতের জয়ের স্বপ্ন দেখাছিলেন, ঠিক তখনই অ্যাটাকিং পন্তকে তুলে নিয়ে টিম ইন্ডিয়াকে ধাক্কা দেন নাথান লায়ন৷ অজি অফ-স্পিনারের ওয়াইড ডেলিভারি তাড়া করতে গিয়ে গালিতে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন পন্ত৷

কিন্তু পন্ত আউট হওয়ার পর ফের চাপে পড়ে ভারত৷ এখনও জয়ের জন্য ভারতের দরকার ১৫৭ রান৷ নতুন বলে অজি বোলারদের বিরুদ্ধে লড়াই করেন পূজারা ও হনুমা বিহারী৷ কিন্তু ব্যক্তিগত ৭৭ রানে দুরন্ত এক ডেলিভারিতে পূজারাকে বোল্ড করেন হ্যাজেলউড৷ ২০৫ বল খেলে এই ইনিংস খেলেন পূজারা৷ এরপর বিহারী ও অশ্বিনের ডিফেন্সিভ ব্যাটিং ম্যাচ ড্র করে ভারত৷ ১৬১ বল খেলে মাত্র ২৩ রান করেন বিহারী এবং ১২৮ বলে ৩৯ রান করেন অশ্বিন৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.