নয়াদিল্লি : ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশ লড়ছে করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে। সাধারণ মানুষের একতাই করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভাল অবস্থায় রেখেছে ভারতকে। এমনই মত কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। তিনি রবিবার নয়াদিল্লিতে বলেন উৎসাহ ও সতর্কতার সাথে সাধারণ মানুষ লড়াই চালাচ্ছেন। এই যুদ্ধে দেশবাসীরই জয় হবে।

সেন্ট্রাল আর্মড পুলিশ ফোর্সের এক অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যোগ দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই মাস অর্থাৎ জুলাইয়ের শেষের মধ্যে গোটা দেশে ১.৩৭ কোটি গাছের চারা পোঁতার সংকল্প নিয়েছে কেন্দ্র। এই উদ্যোগে মূল কাজ করবে সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী।

এদিন সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে অমিত শাহ বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে যে যুদ্ধে দেশবাসী নেমেছে, তা সফল হবেই। করোনার বিরুদ্ধে সাফল্য আসবে। পরিস্থিতি এখনও হাতের বাইরে যায়নি। ১৩০ কোটি মানুষের দেশে গণতান্ত্রিক পরিকাঠামো বজায় রেখে করোনার সঙ্গে লড়াই করা, কঠিন হলেও অসম্ভব নয়। তা ভারত দেখিয়ে দিয়েছে।

করোনা মোকাবিলায় বিশ্বের অন্যান্য দেশের নিরিখে ভারত ভালো অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছেন অমিত শাহ। তবে করোনা পরবর্তী বিশ্বে ভারত এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে আশাপ্রকাশ করেন অমিত শাহ।

তিনি সেইসব সিএপিএফ কর্মীদের শ্রদ্ধা জানান, যারা করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন। মোট ৩১ জন কর্মী আধিকারিক করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন বলে জানান তিনি। এর আগে, দেশের করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। বাড়ছে আরোগ্যের হার। শুক্রবার এমনই জানান কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন।

তিনি এদিন বলেন কোভিড পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। কারণ দেশে এখন আরোগ্যের হার ৬৩ শতাংশ। অন্যদিকে মৃত্যুর হার মাত্র ২.৭২ শতাংশ। শুক্রবার স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধিতে উদ্বিগ্ন নয় কেন্দ্র। কারণ এই বিষয়টিকে সদর্থক দৃষ্টিভঙ্গীতে দেখা উচিত।

করোনার পরীক্ষার সংখ্যা বেড়েছে, তাই আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। ভারতের জনসংখ্যার কথা মাথায় রেখেই এই আক্রান্তের সংখ্যা বিচার করা উচিত। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান প্রতিদিন দেশে ২.৭ লক্ষ টেস্ট করা হচ্ছে। এত বড় জনসংখ্যার দেশ হয়েও ভারতে কমিউনিটি ট্রান্সমিশন শুরু হয়নি বলে এদিন জানান হর্ষ বর্ধন।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ