নয়াদিল্লি: ২০ জানুয়ারি, বুধবার সিকিমের নাকু লাতে ভারত ও চিনা সেনাদের মধ্যে মুখোমুখি সংঘাতের কথা স্বীকার করেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। সোমবার সেনাবাহিনীর তরফে এই খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। একাধিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে আজ এই বিবৃতি জানানো হয়েছে। জানা গিয়েছে যে পিপলস লিবারেশন আর্মি ভারতীয় ভূখণ্ডে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ভারতীয় সেনা তাদের বাধা দেয়। ফলে দুই দেশের মধ্যে সংঘাত হয়।

সেনাবাহিনী সংবাদ মাধ্যকে এক বিবৃতি দিতে জানায়, মুখোমুখি সংঘাতের দ্রুত সমাধান করা হয়েছিল। বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, “২০ জানুয়ারিতে সিকিমের নাকু লা-তে ভারতীয় সেনা এবং চিনা পিএলএ সেনার মধ্যে মুখোমুখি যে লড়াই হয়েছিল তা স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।

প্রোটোকল অনুসারে স্থানীয় কমান্ডারই এই সমস্যার সমাধান করেন।” বিবৃতিতে এও বলা হয় যে পিএলএ-র অনুপ্রবেশের চেষ্টার পরে গত সপ্তাহে এই সংঘর্ষ হয়। তবে সতর্ক ভারতীয় সেনা চিনের সেই চেষ্টা বানচাল করে দেয়। পূর্ব লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলএসি) থেকে হাজার কিলোমিটার দূরে এই ঘটনা ঘটে।

গত ৯ মাস ধরে উত্তপ্ত প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা৷ চোখে চোখ রেখে দাঁড়িয়ে রয়েছে ভারতীয় সেনা৷ এই অবস্থায় রবিবার নবম দফা বৈঠকে বসে ভারতীয় সেনা ও লাল ফৌজ৷ বৈঠকে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (এলএসি)-য় ‘মুখোমুখি অবস্থান থেকে সেনা পিছনো’ (ডিসএনগেজমেন্ট)-র দাবি জানায় ভারত৷ পাশাপাশি ‘সেনা সংখ্যা কমানো’ (ডিএসক্যালেশন)-র দাবিও তোলা হয়েছে ভারতীয় সেনার তরফে। রবিবার পূর্ব লাদাখের মলডোতে বসেছিল এই বৈঠক৷

জানা গিয়েছে, রবিবার সকাল ১০টায় কোর কমান্ডার স্তরের বৈঠক শুরু হয়৷ শেষ হয় সোমবার রাত আড়াইটের নাগাদ। প্রায় ১৫ ঘণ্টা ধরে ম্যারাথন বৈঠক চলে৷ চুসুলের ঠিক বিপরীতে মলডোতে নবম দফা বৈঠকে লাল ফৌজের সামনে সম্পূর্ণ ডিসএনগেজমেন্টের দাবি তোলে ভারত৷ ভারতীয় সেনার প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন লে-র এইচকিউ ১৪ কর্পস-এর কোর কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল পিজিকে মেনন৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।