মেলবোর্ন: বড় কোনও অঘটন কিংবা বৃষ্টি পথের কাঁটা না হয়ে দাঁড়ালে এমসিজি’তে জয় এখন সময়ের অপেক্ষা কোহলিদের কাছে। বলা যেতে পারে সিরিজে এগিয়ে যাওয়া থেকে মাত্র পাঁচ কদম দূরে ভারত। ভারতের ছুঁড়ে দেওয়া ৩৯৯ রানের জবাবে চতুর্থদিন চা-বিরতিতে অস্ট্রেলিয়া পাঁচ উইকেট হারিয়ে ১৩৮।

চতুর্থদিন মর্নিং সেশনে ১০৮ রানে দ্বিতীয় ইনিংসও ডিক্লেয়ার ঘোষণা করে টিম ইন্ডিয়া। তৃতীয়দিন পাঁচ উইকেটে ৫৪ রানের পর চতুর্থদিন স্কোরবোর্ডে আরও ৫২ রান তুলে দ্বিতীয় ইনিংসে দাঁড়ি টানে কোহলি ব্রিগেড। এমিসিজি’তে জয়ের জন্য অজিদের লক্ষ্যমাত্রা দাঁড়ায় ৩৯৯ রান। গতকাল চার উইকেটের পর চতুর্থদিন সকালে ভারতের দুটি উইকেট তুলে নেন প্যাট কামিন্স। ২৭ রানে ছয় উইকেট তুলে নিয়ে কেরিয়ারের সেরা পারফর্ম্যান্স করেন এই অজি ফাস্ট বোলার।

লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে নেমে শুরুতেই আরন ফিঞ্চের উইকেট হারায় অজিরা। মাত্র ৩ রানে বুমরাহর শিকার হন তিনি। এরপর ব্যক্তিগত ১৩ রানে লাঞ্চের আগেই ফেরেন হ্যারিস। হ্যারিসকে সাজঘরে ফেরান জাদেজা। দুই উইকেটে ৪৪ রান নিয়ে মধ্যাহ্নভোজে যায় ব্যাগি গ্রিণরা।

বিরতির পর ক্রিজে থিতু হয়ে যাওয়া খোয়াজাকে ফিরিয়ে ব্রেক থ্রু ঘটান বঙ্গ পেসার মহম্মদ শামি। এরপর অর্ধশতরান থেকে ছয় রান দূরে থাকা শন মার্শকে আরও একবার প্যাভিলিয়নের রাস্তা দেখান বুমরাহ। ফের একবার এমসিজি দেখল শন মার্শ লেগ বিফোর উইকেট বুমরাহ। একইসঙ্গে মার্শ ব্রাদার্সের লম্বা হতে যাওয়া ৫১ রানের পার্টনারশিপে যবনিকা টেনে দেন ভারতের চর্চিত এই পেসার। বিরতির কিছুক্ষণ আগে জাদেজার ডেলিভারিতে অধিনায়কের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান যান মিচেল মার্শও। তাঁর সংগ্রহ ১০ রান।

জয়ের জন্য ভারতের ছুঁড়ে দেওয়া বিরাট লক্ষ্যমাত্রা ছুঁতে অজিদের দরকার আরও ২৬১ রান। অন্যদিকে অজি ব্যাটিং লাইন আপের প্রথম পাঁচ ব্যাটসম্যানকে ফেরৎ প্যাভিলিয়নে পাঠিয়ে তাল ঠুকছেন বিরাট কোহলিরা। বিরাট কোনও অঘটন না ঘটলে বক্সিং ডে টেস্ট জয় যে এখন সময়ের অপেক্ষা কোহলিদের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I