আমদাবাদ: চতুর্থ টেস্টের প্রথমদিনটা যদি লেখা হয়ে থাকে ভারতের নামে, তাহলে দ্বিতীয়দিনের প্রথম সেশনটা অবশ্যই লেখা থাকবে ইংল্যান্ডের নামে। দ্বিতীয়দিনের প্রথম সেশনে ভারতের তিন উইকেট তুলে নিয়ে লড়াইয়ে ফিরল ইংরেজরা। মর্নিং সেশনে ভারতের তিন উইকেট ভাগ করে নিলেন জ্যাক লিচ, বেন স্টোকস এবং জেমস অ্যান্ডারসন।

প্রথমদিনের শেষে ১৫ রানে অপরাজিত চেতেশ্বর পূজারা ফিরলেন মাত্র ২ রান যোগ করে। এরপর ক্রিজে নেমে আটটি বল খরচ করে রানের খাতা না খুলেই ফিরলেন অধিনায়ক বিরাট কোহলি। গতকাল উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের পর বেন স্টোকসের একটি বাউন্সারে ঠকে গেলেন ভারত অধিনায়ক। অন্যদিকে ক্রিজ আঁকড়ে পড়ে রয়েছেন রোহিত শর্মা। ৪১ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যাওয়া ভারতের ব্যাটিং লাইন আপ এরপর রোহিত এবং রাহানের ব্যাটে ভরসা খোঁজা শুরু করে।

চল্লিশের উপর বল খেলে ২৭ রানে ক্রিজে থিতু হয়ে যাওয়া কোহলির ডেপুটি রোহিতের সঙ্গে ভরসা জোগাচ্ছিলেন ভালই। কিন্তু লাঞ্চের আগে এসে হঠাতই ছন্দপতন। জেমস অ্যান্ডারসনের ডেলিভারিতে স্লিপে বেন স্টোকসের হাতে ধরে পড়েন রাহানে। ভারতের রান তখন ৮০। রাহানে আউট হতেই দ্বিতীয়দিন মধ্যাহ্নভোজের বিরতি ঘোষণা করেন আম্পায়ার। সবমিলিয়ে প্রথম সেশনেই পূজারা, কোহলি এবং রাহানেকে হারিয়ে খানিকটা ব্যাকফুটে টিম ইন্ডিয়া।

তবে একা কুম্ভে লড়াই চালাচ্ছেন সিরিজে এখনও অবধি ভারতের সবচেয়ে সফলতম ব্যাটসম্যান রোহিত শর্মা। মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে ৩২ রানে অপরাজিত তিনি। সঙ্গে রয়েছেন ঋষভ পন্ত। সাম্প্রতিক সময়ে এই দুই ব্যাটসম্যানের ব্যাটে অনেক ক্ষেত্রে সাহারা পেয়েছে টিম ইন্ডিয়া। তাই এই জুটির থেকে প্রত্যাশাও অনেকটা বেশি। দ্বিতীয় সেশনে ইংরেজ বোলারদের দমিয়ে দলকে ফের অ্যাডভান্টেজ পরিস্থিতিতে এই জুটি নিয়ে যেতে পারে কীনা, এখন সেটাই দেখার।

এর আগে প্রথমদিন মোতেরার জুজুহীন উইকেটে ফের একবার ব্যাটিং বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয় ইংল্যান্ড। অক্ষর প্যাটেল এবং রবিচন্দ্রন অশ্বিন যুগলবন্দিতে মাত্র ২০৫ রানেই শেষ হয়ে যায় ব্রিটিশদের প্রথম ইনিংস। ৪ উইকেট নেন অক্ষর প্যাটেল, ৩ উইকেট অশ্বিনের ঝুলিতে। জবাবে গিলের উইকেট হারিয়ে ২৪ রান তুলে প্রথমদিনের খেলা শেষ করেছিল টিম ইন্ডিয়া। উল্লেখ্য, সিরিজের চতুর্থ তথা অন্তিম টেস্ট ড্র করলেই ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল খেলবে ভারত। জিতলে তো কথাই নেই। অন্যদিকে ইংল্যান্ড সেই দৌড় থেকে ছিটকে যাওয়ায় তাদের লক্ষ্য থাকবে ভারতকে হারিয়ে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল খেলা থেকে বঞ্চিত করা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.