নয়াদিল্লি: বিশ্ব বাজারে যেভাবে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি হচ্ছে তার পরিপ্রেক্ষিতে তেল রফতানি কারক দেশ গুলির গোষ্ঠী ওপেকের কাছে তেলের উৎপাদন বাড়ানোর আর্জি জানিয়েছিল ভারত। যাতে তেলের মূল্য হ্রাস হয়। কিন্তু সেই আবেদনে সাড়া না দিয়ে ওপেক এপ্রিলেও উৎপাদন কমানোর দিকে সায় দিয়েছে ওপেক। এই পরিস্থিতিতে ভারতের মতো তেল আমদানি উপর নির্ভরশীল দেশের আর্থিক পুনরুজ্জীবন ধাক্কা খাবে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় তেলমন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। উল্টে এ দেশে তেলের দাম কমাতে আগে সস্তায় কেনা মজুদ করা তেল ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছেন সৌদি আরবের তেল মন্ত্রী।

সম্প্রতি পেট্রোল-ডিজেল এবং রান্নার গ্যাসের দাম যেভাবে বেড়ে গিয়েছে তার জন্য সমালোচনার মুখে পড়তে হচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকারকে। এই মূল্য বৃদ্ধির জন্য কেন্দ্রের মোদী সরকার বিশ্ব বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধিকেই দায়ী করছে। যদিও বিরোধীরা সে কথা মানতে চায় না। কারণ যুক্তি হিসেবে তারা উল্লেখ করেছেন,২০১৪ সালে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ছিল ১০৮ ডলার যেখানে এখন প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ৬৯ ডলার। দেশের অভ্যন্তরে তেলের দাম এত বৃদ্ধির জন্য মোদী সরকারকে দায়ী করেছে অত্যধিক হারে তেলের উপর শুল্ক বসানোর জন্য।

এই পরিস্থিতিতে সম্প্রতি ওপেক দেশগুলির কাছে ধর্মেন্দ্র প্রধান আর্জি জানিয়েছেন উৎপাদন বৃদ্ধির। কিন্তু সেই ডাকে সাড়া না দিয়ে বরং আগামী দিনেও উৎপাদন ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওপেক গোষ্ঠী। সেই প্রসঙ্গে সৌদি আরবের রেলমন্ত্রী আব্দুল আজিজ বিন সলমানের বক্তব্য, গত বছরের এপ্রিল থেকে জুন অপরিশোধিত তেলের দাম অনেক কম ছিল সেই সময় ভারত সস্তায় বেশ কিছুটা তেল কিনে রেখেছিল এখন নয় সেই মজুত তেল ব্যবহার করুক।

অন্যদিকে ধর্মেন্দ্র প্রধান উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছেন, ভারত হল অন্যতম তেল আমদানিকারী‌ দেশ । কিন্তু এই সময় অর্থনীতি যখন ঘুরে দাঁড়াতে চলেছে তখন এই তেলের মূল্যবৃদ্ধি এদেশের অর্থনীতি পুনরুজ্জীবন ধাক্কা খেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। ওপেকের এমন সিদ্ধান্তে ভারতের পাশাপাশি চীন জাপান কোরিয়া সহ বিভিন্ন আমদানিকারক দেশগুলির অর্থনীতির পক্ষে সুখকর নয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।