নয়াদিল্লি: করোনার সক্রমণ ভারতে ক্রমাগত ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করেছে। ইতিমধ্যেই পাঁচ লক্ষ ছাড়িয়েছে আক্রান্তের সংখ্যা। প্রত্যেকেই খুঁজছেন মুক্তির উপায়। এবার ভারতে করোনা আক্রান্তদের উপর প্রয়োগের জন্য একটি নতুন ওষুধের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।

শনিবার কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে এই ওষুধ ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এটি একটি অপেক্ষাকৃত সস্তার ওষুধ। ডেক্সামেথাজন নামের ওই ওষুধ উপসর্গযুক্ত করপনা আক্রান্তদের চিকিৎসায় ব্যবহার করা যেতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

ব্রিটেনে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে গভীর উপসর্গ যুক্ত করোনা আক্রান্তদের উপরম এই ওষুধের সাফল্য মিলেছে। এরপরই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রচুর পরিমাণে ওই ওষুধ তৈরি করার নির্দেশ দিয়েছে।

এদিন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক “Clinical Management Protocol: COVID-19”-এর একটি নতুন ভার্সান বের করেছে। আর তাতেই এই নতুন ওষুধের উল্লেখ রয়েছে। এর আগে এই প্রোটোকলে করোনার দুটি নতুন উপসর্গের কথা উল্লেখ করা হয়েছিল।

ডেক্সামেথাজন নামের ওই ওষুধ মূলত আর্থারাইটিস ও অন্যান্য অসুখে প্রদাহ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য ব্যবহার করা হয়। যেসব করোনা রোগীর অক্সিজেনের প্রয়োজন, তাঁদের ক্ষেত্রে এই ওষুধ ব্যবহার করা যেতে পারে বলে জানিয়েছে কেন্দ্র।

এদিকে দেশে হু হু করে বাড়ছে সংক্রমণ। শেষ ২৪ ঘন্টায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হলেন ১৮ হাজার ৫২২ জন। আরও মৃত্যু হয়েছে ৩২৪ জনের।

অন্যদিকে এই নতুন সংক্রমণ ও মৃত্যুর জেরে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ লক্ষ ৮ হাজার ৯৫৩। এরমধ্যে অ্যাক্টিভ কেস রয়েছে ১ লক্ষ ৯৭ হাজার ৩৮৭ টি। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২ লক্ষ ৯৫ হাজারের বেশি মানুষ ও মৃত্যু হয়েছে ১৫ হাজার ৬৮৫ জনের।

দেশের মধ্যে মহারাষ্ট্রের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। সেখানে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লক্ষ ৫২ হাজারের বেশি মানুষ। দেশজুড়ে মোট মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়ে গিয়েছে ১৫, ৩০১। এই নিয়ে টানা ৭ দিন দেশে ১৪ হাজারের বেশি মানুষ প্রতিদিন আক্রান্ত হচ্ছেন।

মহারাষ্ট্রে শেষ ২৪ ঘন্টার করোনার জেরে মৃত্যু হয়েছে ১৭৫ জনের। শুক্রবার অবধি শুধুমাত্র মুম্বইয়ে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৭২ হাজারের বেশি মানুষ।

অন্যদিকে দিল্লিতেও পরিস্থিতি এখনও সংকটপূর্ণ। শেষ ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩৪৬০ জন। যার ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছে গিয়েছে ৭৭ হাজারে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।