নয়াদিল্লি : দুদিনের সফরে শ্রীলঙ্কা যাবেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। সেই বিদেশ সফরের জন্য ভারতের আকাশসীমা ব্যবহারের প্রয়োজন ছিল পাকিস্তানের। নয়াদিল্লির কাছে এই বিষয়ে আবেদন জানায় ইসলামাবাদ। সৌজন্যের হাত বাড়িয়েছে ভারত। পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে দেশের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দিল ভারত।

মঙ্গলবার অর্থাৎ ২৩শে ফেব্রুয়ারি শ্রীলঙ্কা সফরে যাচ্ছেন পাক প্রধানমন্ত্রী। ক্ষমতায় আসার পর এটা তাঁর দ্বিতীয় বিদেশ সফর। এর আগে আফগানিস্তান সফরে গিয়েছিলেন ইমরান। এই সফরের জন্যই ভারতের আকাশসীমা ব্যবহারের প্রয়োজন পড়েছে পাকিস্তানের। জানা গিয়েছে ১০ দিন আগে ইসলামাবাদ আবেদন করে ভারতের কাছে। সোমবার সকালে আবেদন মঞ্জুর করে ভারত। উল্লেখ্য, এই ধরণের বিমান যাত্রার জন্য সংশ্লিষ্ট দেশের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি চাইতে হয়। সেই প্রোটোকল মেনেই ইসলামাবাদ ভারতের কাছে আবেদন জানিয়ে ছিল।

উল্লেখ্য, যে সৌজন্যের হাত ভারত বাড়িয়ে দিয়েছে, সেই একই কাজ কিন্তু পাকিস্তান করেনি। জম্মু কাশ্মীরের ওপর থেকে বিশেষ রাজ্যের মর্যাদা তুলে নেওয়ার পরেই ইসলামাবাদ নিজেদের আকাশসীমা ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের ক্ষেত্রে একবার ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিদেশ সফরের ক্ষেত্রে দুবার পাক আকাশসীমা ব্যবহারে সম্মতি দেয়নি পাকিস্তান। ফলে আলাদা রুট ধরে গন্তব্যে পৌঁছতে হয় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে।

এদিকে, নিজেদের পার্লামেন্টে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের পূর্ব নির্ধারিত সৌজন্য ভাষণ বাতিল করেছে শ্রীলঙ্কা। করোনা কালে ভারত যেভাবে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে শ্রীলঙ্কার দিকে, তাতে কলম্বো ও নয়াদিল্লি সম্পর্ক বেশ দৃঢ় হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে নয়াদিল্লিকে একেবারেই চটাতে চাইছে না শ্রীলঙ্কা। কলম্বো গেজেটে প্রকাশিত দার জাভেদের লেখা একটি রিপোর্টে তেমনই বক্তব্য উঠে এসেছে।

‘Sri Lanka avoids clash with India by cancelling Khan’s Parliament speech’ শীর্ষক রিপোর্টে জাভেদ জানাচ্ছেন শ্রীলঙ্কা এখনই ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ করার জায়গায় নেই। কারণ করোনা পরিস্থিতিতে রীতিমতো সাহায্য পেয়েছে এই দ্বীপ রাষ্ট্র। ফলে কৃতজ্ঞতা প্রকাশের জায়গায় নয়াদিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ করার রাস্তায় হাঁটতে চাইছে না শ্রীলঙ্কা বলে মত জাভেদের। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বক্তব্য সম্প্রচার করা হলে ক্ষুব্ধ হতে পারে নয়াদিল্লি। এই চিন্তা মাথায় রেখেই কলম্বো সম্প্রচারে নিষেধাজ্ঞা টেনেছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।