চেন্নাই: ২০২০ আইপিএলের আগেই বাগদান পর্ব সেরে ফেলেছিলেন৷ কোভিড-১৯ অতিমারীর কারণে বিয়েটা করতে পারেননি৷ নতুন বছরের শুরুতে তা করলেন ফেলেন৷ সাত পাকে বাঁধা পড়লেন বিজয় শঙ্কর৷ বাগদত্তা বৈশালী বিশ্বেস্মরণের সঙ্গে জীবনের নতুন ইনিংস শুরু করলেন ভারতীয় দলের এই অল-রাউন্ডার৷

বিজয়ের আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি সানরাইজার্স হায়দরাবাদ তাঁর বিয়ের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে শুভেচ্ছা জানিয়েছে। যাতে লেখা হয়েছে, ‘তোমাকে এই বিশেষ দিনে আমাদের তরফে অনেক শুভেচ্ছা। তোমার বিবাহিত জীবন সুখের হোক।’

গত বছর মরু শহরে আইপিএল খেলতে যাওয়ার আগে অর্থাৎ ২০ অগস্ট দীর্ঘদিনের বান্ধবী বৈশালীর সঙ্গে বাগদান সেরে ফেলেছিলেন বিজয়। সেই সময় নিজের হবু স্ত্রী’র সঙ্গে নিজের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছিলেন টিম ইন্ডিয়ার এই ক্রিকেটার। ক্যাপশনে দিয়েছেন শুধু আংটির ইমোজি। এই পোস্টের পরই বিজয় ভেসে গিয়েছিলেন অভিনন্দন বার্তায়। ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের ক্রিকেটারকে শুভেচ্ছায় ভরিয়ে দিয়েছেন সতীর্থরা। জাতীয় দলের সতীর্থ লোকেশ রাহুল, যুবেন্দ্র চহাল, শ্রেয়াস আইয়ারের পাশাপাশি অভিনন্দন জানিয়েছেন করুণ নায়ার, অভিনব মুকুন্দ, জয়ন্ত যাদবরাও।৷

২০১৮ সালে কলম্বোয় শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টি-২০ ফরম্যাটে অভিষেক হয়েছিল বিজয় শংকরের। এক বছর পর মেলবোর্নে ওয়ান ডে ক্রিকেটে অভিষেক হয় তামিল এই ক্রিকেটারের। এখনও পর্যন্ত দেশের হয়ে ১২টি ওয়ান ডে এবং ৯টি টি-২০ খেলেছেন বিজয়৷ গত বছর ইংল্যান্ডের মাটিতে ভারতীয় দলের সদস্য ছিলেন তিনি৷ পাকিস্তান ম্যাচের হাত ধরে বিশ্বকাপ ক্রিকেটে অভিষেক হয় তাঁর৷ বিশ্বকাপে ৩ ম্যাচে ৫৮ রান ও ২টি উইকেট নিয়েছেন অলরাউন্ডার বিজয়।

তবে সদ্য সমাপ্ত অস্ট্রেলিয়া সফরের দলে জায়গা পাননি বিজয়৷ওয়ান ডে ক্রিকেটে এক ডজন ম্যাচে তিনি করেছেন ২২৩ রান৷ বল হাতে নিয়েছেন চার উইকেট। আর দেশের হয়ে টি-২০ ফর্ম্যাটে শংকের সংগ্রহ ১০১ রান৷ নিয়েছেন পাঁচ উইকেট। ফের জাতীয় দলে ঢোকার জন্য আইপিএলই হাতিয়ার এই তামিল অল-রাউন্ডারের৷ চতুর্দশ আইপিএলেও বিজয়কে ধরে রেখেছে তাঁর ফ্র্যাঞ্চাইজি৷ সুতারং ২০২১ আইপিএলেও সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে খেলতে দেখা যাবে টিম ইন্ডিয়ার এই অল-রাউন্ডারকে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।