নয়াদিল্লি: কাশ্মীর ভারতেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ। ভবিষ্যতেও কাশ্মীর ভারতের অংশ হয়েই থাকবে। আরও একবার রাষ্ট্রসংঘকে স্পষ্ট বার্তা ভারতের। পাকিস্তান সফরে গিয়ে রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব গুতেরসের কাশ্মীর নিয়ে করা মন্তব্যের প্রেক্ষিতে বেজায় চটেছে দিল্লি। আর তাই রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিবকে আরও একবার কাশ্মীর নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করল ভারত।

পাকিস্তান সফরে যাওয়া রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব গুতেরেসকে কড়া বার্তা দিল্লির। সম্প্রতি পাকিস্তান সফরে গিয়ে রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে মন্তব্য করেছেন। উপত্যকা নিয়ে দু’দেশ চাইলে তিনি মধ্যস্থতা করেত রাজি রয়েছেন বলে পাক মাটিতকে দাঁড়িয়েই জানান গুতেরেস। রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিবের এই বার্তারই বিরোধিতায় ভারত। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রবীশ কুমার জানিয়েছেন, ভারতের অবস্থানের কোনও বদল হয়নি। জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।

রাষ্ট্রসংঘকে উদ্দেশ্যে করে একইসঙ্গে রবীশ কুমার আরও জানিয়েছে, এই মুহূর্তে যে বিষয়টি আলোচনার প্রয়োজন তা হল পাকিস্তান জোর করে অবৈধভাবে যে অংশটি দখল করে রেখেছে তা নিয়ে। কাশ্মীর নিয়ে তাহলে দ্বিপাক্ষিকভাবে আলোচনা করা হবে। এক্ষেত্রে তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতার প্রয়োজন নেই বলে আবারও স্পষ্ট করেচে ভারত।

এরই পাশাপাশি সীমান্তে পাক-সন্ত্রাস নিয়ে ফের সওয়াল করেছেন বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রবীশ কুমার। এবিষয়েই রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিবের হস্তক্ষেপ চেয়েছে ভারত। রবীশ কুমারের মতে, ‘পাকিস্তান যেভাবে সীমান্তে সন্ত্রাস চালিয়ে যাচ্ছে। সেই বিষয়টি তুলে ধরতে পারেন গুতেরেস। সীমান্ত-সন্ত্রাস শুধু কাশ্মীরের নয় ভারতের মানুষের মৌলিক মানবিক অধিকারকে ভঙ্গ করছে।’

রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস পাকিস্তান সফরে রয়েছেন। ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে কাশ্মীর নিয়ে চলা দ্বন্দ্ব প্রসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, দুই দেশ মধ্যস্থতা চাইলে তিনি রাজি রয়েছেন। গুতেরেসের এই মন্তব্যেই বেজায় চটেছে দিল্লি। গুতেরেসের মন্তব্যের পরই কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে ভারত।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।