লে: পূর্ব লাদাখে ভারত-চিন সীমান্ত সংঘর্ষের ঠিক পরেই পিছু হটেছে চিন। তবে পুরোপুরি গালওয়ান সমস্যার নিষ্পত্তি হয়নি, সেই বার্তা দিচ্ছে চিন। তাই আরও একবার চিনের সেই দাবি নস্যাৎ করে দিয়েছে ভারত। কূটনৈতিকস্তরে চিনের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চলেছে ভারত।

শুক্রবার পূর্ব লাদাখে সীমান্ত সমস্যা নিয়ে আলোচনা হবে ভারত-চিনের। লাইন অফ কন্ট্রোলে ইন্দো-চিন সীমান্তের চাপ আরও কমাতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ভারতের তরফে।

বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব জানিয়েছেন, সীমান্তে শান্তি এবং শান্তির আবহ বজায় রাখার পাশাপাশি আলোচনার মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। একইসঙ্গে ভারতীয় ভূখণ্ডে সার্বভৌমত্ব এবং অখণ্ডতা বজায় রাখতেও ততটাই দায়বদ্ধ।

তিনি আরও বলেছেন, লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল সমস্যার প্রতি সকলের শ্রদ্ধাশীল হওয়া উচিত। সীমান্তে শান্তি বজায় রাখার দিকটিকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত।

অনুরাগ শ্রীবাস্তব এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল জুলাই মাসের ৫ তারিখ চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ওয়াইয়ের সঙ্গে সীমান্ত সমস্যার বিষয়ে আলোচনা করেছেন। লাইন অফ কন্ট্রোল এবং গালওয়ান উপত্যকার বিষয়ে সাম্প্রতিক সময়ের পরিস্থিতি পরিপ্রেক্ষিতে ভারতের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন।

শুক্রবার একটি ভার্চুয়াল মিটিংয়ে আবারও সীমান্ত সমস্যার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হবে। জানা যাচ্ছে, এদিন আলোচনায় কর্মকৌশল এবং ভারত-চিন সীমান্ত বিষয়ে সহযোগিতার দিকটি আলোচনা হবে।

আগামিদিনে সীমান্তে শান্তি বজায় রাখার জন্য কূটনৈতিক এবং মিলিটারিস্তরে আলোচনা হতে থাকবে। চাপ কমাতে এবং সেনা সরানোর কাজে গতি আনতে দুই দেশের প্রতিনিধিরা সম্মতিপ্রকাশ করেছে।

সোমবারই, লাদাখ সীমান্তে উত্তেজনা কিছুটা প্রশমিত হওয়ার খবর এসেছে। চিনের সেনাবাহিনী সরে গিয়েছে বলে আগেই খবর এসেছে। এবার সেই কথা স্বীকার করেছে চিন। চিনা সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল টাইমসের রিপোর্ট অনুযায়ী, চিনের বিদেশমন্ত্রী ঝাও লিজিয়ান বলেছেন, ‘গত ৩০ জুন কমান্ডার লেভেলের তৃতীয় বৈঠকের পর সরে গিয়েছে দুই দেশের সেনা।’

আরও জানা গিয়েছে, যৌথভাবেই ক্যাম্প সরানোর বিষয়টিকে যাচাই করে বিশ্বাস অর্জনের কাজ দ্রুত শেষ হবে। এখনও অবধি গালওয়ানের পিপি-১৪ পেট্রলিং পয়েন্ট অবধি টহলদারি চালাচ্ছিল চিন।

ভারত ও চিন যৌথভাবে সংঘর্ষ এড়ানোয় সম্মতি প্রকাশ করলে বর্তমানে এই বিধিনিষেধ লাগু করা হয়েছে। এলএসি নিয়ে সংঘর্ষ এঁরাতে দুই দেশই গালওয়ান নদীর চত্বরের ৩ কিলোমিটার এলাকায় কিছুটা বাফার জোন ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে ভারতের তরফে কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে। লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোলে চিন সেনা সরিয়েছে কিনা সে বিষয়টিও প্রতিনিয়ত নজর রাখা হয়েছে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ