ক্রাইস্টচার্চ: উত্তেজক ম্যাচে মাত্র ৫ রানে হার ময়াঙ্ক আগরওয়ালদের৷ ফলে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ‘এ’ দলের বেসরকারি ওয়ান ডে সিরিজ খোয়াতে হল ভারতকে৷ যদিও ম্যাচের বেশিরভাগ সময় দাপট বজায় ছিল ভারতেরই৷ শেষবেলায় ব্যাটসম্যানদের হঠকারিতার মাশুল দিতে হয় ভারতীয় দলকে৷

হ্যাগলি ওভালে সিরিজের তৃতীয় তথা শেষ ওয়ান ডে ম্যাচে টস জিতে নিউজিল্যান্ড-এ দলকে প্রথমে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানান ভারত অধিনায়ক ময়াঙ্ক৷ কিউয়িরা একসময় মাত্র ১০৫ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে কোণঠাসা হয়ে পড়ে৷ সেখান থেকে আট নম্বর ব্যাটসম্যান টড অ্যাস্টলকে সঙ্গে নিয়ে মার্ক চাপম্যান পালটা লড়াই শুরু করেন৷ সেঞ্চুরি করেন চাপম্যান৷ হাফ-সেঞ্চুকি করেন অ্যাস্টল৷ ফলে নিউজিল্যান্ড নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেটের বিনিময়ে ২৭০ রান তোলে৷

আরও পড়ুন: মোদীর ভাষণে ইডেন টেস্ট, প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ লক্ষ্মণের

জবাবে ব্যাট করতে নেমে ভারত একদা ৬ উইকেটের বিনিময়ে ২৫৭ রান তুলে ফেলে৷ ৪৯তম ওভারে বল করতে এসে আজাজ প্যাটেল ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন৷ ৮ রানে শেষ ৪টি উইকেট হারিয়ে ভারত নিশ্চিত জেতা ম্যাচ হেরে বসে৷ ৪৯.৪ ওভারে ২৬৫ রানে অল-আউট হয়ে যায় ভারতীয়-এ দল৷

নিউজিল্যান্ডের টপ ও মিডল অর্ডার ধসে পড়ার পর চাপম্যানের শতরান নির্ভরতা দেয় কিউয়িদের৷ সপ্তম উইকেটের জুটিতে অ্যাস্টলকে নিয়ে চাপম্যান ১৩৬ রান যোগ করেন৷ অ্যাস্টল আউট হন ৬৫ বলে ৫৬ রান করে আউট হন৷ চাপম্যান ৯৮ বলে ১১০ রান করে অপরাজিত থাকেন৷ ইশান পোড়েল ৬৪ রানে ৩টি উইকেট দখল করেন৷ রাহুল চাহার ৪৯ রানে ২টি উইকেট নেন৷

আরও পড়ুন: লোকেশ-শ্রেয়স যুগলবন্দিতে দুরন্ত জয় টিম ইন্ডিয়ার

ভারতের হয়ে পৃথ্বী শ ৮টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে ৩৮ বলে ৫৫ রান করে আউট হন৷ ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ৪৪ রানের যোগদান রাখেন৷ ময়াঙ্ক আগরওয়াল ২৫ ও সূর্যকুমার যাদব ৫ রান করে ক্রিজ ছাড়েন৷ ইশান কিষাণ ৮৪ বলে ৭১ রান করে অপরাজিত থাকেন৷ বিজয় শংকর ১৯ ও অক্ষর প্যাটেল ৩২ রানের ইনিংস খেলেন৷ ভারতের শেষ তিনজন ব্যাটসম্যান রাহুল চাহার, সন্দীপ ওয়ারিয়র ও ইশান পোড়েল নিজেদের প্রথম বলেই বোল্ড হন৷

জয়ের জন্য শেষ ২ ওভারে ভারতের দরকার ছিল ১৮ রান৷ ৪৯তম ওভারে ১১ রান তুললেও ২টি উইকেট হারিয়ে বসে ভারত৷ শেষ ওভারে ৭ রান তুললেই ম্যাচ তথা সিরিজ জিতত ভারতীয়-এ দল৷ তবে মাত্র ১ রানের বিনিময়ে শেষ ওভারে অবশিষ্ট ২টি উইকেটের পতন ঘটলে হার স্বীকার করতে হয় ময়াঙ্কদের৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.