মাউন্ট মাউনগানুই: সিরিজ জয় নিশ্চিত হয়েছিল আগেই৷ নিয়মরক্ষার তৃতীয় একদিনের ম্যাচেও নিউজিল্যান্ডকে পরাস্ত করল ভারতীয়-এ দল৷ মাউন্ট মাউনগানুইয়ের এই ম্যাচে ৭৫ রানে জয়ের সুবাদে তিন ম্যাচের বেসরকারী ওয়ান ডে সিরিজে কিউয়িদের হোয়াইটওয়াশ করল ভারত৷

আরও পড়ুন: ক্যাপ্টেনের শতরানে সিরিজ জিতল ভারত

টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে মণীশ পান্ডেরা নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৭৫ রান তোলে৷ হাফসেঞ্চুরি করেন ওপেনার আমমোলপ্রীত সিং৷ অল্পের জন্য অর্ধশতরান হাতছাড়া করেন অঙ্কিত বাউনি৷ জবাবে নিউজিল্যান্ড-এ দল ৪৪.২ ওভারে ২০০ রানে অলআউট হয়ে যায়৷ ব্যর্থ হয় সেফার্তের একক লড়াই৷ সিদ্ধার্থ কউল একাই ভেঙে দেন কিউয়ি ব্যাটিংয়ের মেরুদণ্ড৷

ভারতের দুই ওপেনার ইশান কিষাণ ও আনমোলপ্রীত ইনিংসের শুরুটা মন্দ করেননি৷ তবে ইশান সেট হয়েও উইকেট দিয়ে আসার পুরনো অভ্যাস ছাড়তে পারেননি৷ ৫৪ বলে ৩৯ রান করে আউট হন তিনি৷

আরও পড়ুন: জাতীয় দলের হয়ে নজর কাড়লেন আইপিএল তারকা

শ্রেয়স আইয়ার ২৮ বলে ২৩ রান করে ক্রিজ ছাড়েন৷ ক্যাপ্টেন মণীশ পান্ডে ৫ রানের বেশি সংগ্রহ করতে পারেননি৷ আনমোলপ্রীত আউট হন ৭১ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলে৷ ৮০ বলের ইনিংসে তিনি ৮টি চার ও ১টি ছক্কা মারেন৷

অঙ্কিত বাউনি ৭টি বাউন্ডারির সাহায্যে ৪৯ বলে ৪৮ রান করে উইকেট দেন৷ বিজয় শঙ্কর ৪৩ বলে ৪২ রান করে সাজঘরে ফেরেন৷ খাতা খুলতে পারেননি ক্রুণাল পান্ডিয়া৷ ২৯ বলে ৩১ রানের যোগদান রাখেন অক্ষর প্যাটেল৷ কৃষ্ণাপ্পা গৌতম ৭ রানে অপরাজিত থাকেন৷ নিউজিল্যান্ডের হয়ে রান্স তিনটি ও ফার্গুসন ২টি উইকেট নেন৷ বেনেট, ব্রোসওয়েল ও মিচেল একটি করে উিকেট নিয়েছেন৷

আরও পড়ুন: রিক্সাওয়ালার ছেলে জেতালেন ভারতকে

পাল্টা ব্যাট করতে নেমে কিউয়িদের হয়ে কার্যত একা লড়েন সেফার্ত৷ তিনি ৫৫ রান করে সিদ্ধার্থের বলে বোল্ড হন৷ বাকিদের মধ্যে মিচেল ৩০ ও রাদারফোর্ড ২৭ রান ছাড়া আর কেউই উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারেননি৷সিদ্ধার্থ ৩৭ রানের বিনিময়ে ৪টি উইকেট নেন৷ কৃষ্ণাপ্পা গৌতম নিয়েছেন দু’টি উইকেট৷ একটি করে উইকেট খলিল আহমেদ, অক্ষর প্যাটেল, ক্রুণাল পান্ডিয়া ও বিজয় শঙ্করের৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।