নয়াদিল্লি: কোউইন অ্যাপ (CoWin)হ্যাক হয়েছে। ১৫ কোটি গ্রাহকের তথ্য হাতিয়ে নিয়েছে হ্যাকাররা এবং সেই সমস্ত তথ্য চড়া দামে বিক্রি করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার এমন একটি উদ্বেগজনক রিপোর্টকে ঘিরে শোরগোল পড়ে যায় গোটা দেশে। তড়িঘড়ি আসরে নামে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক (Central Health Ministry)। সমস্ত দাবি খারিজ করে স্বাস্থ্য মন্ত্রক থেকে জানানো হয়, কো উইন অ্যাপ হ্যাক (Hack) করে সেখান থেকে তথ্য হাতানো অসম্ভব।

এদিন স্বাস্থ্যমন্ত্রক (Health Ministry) সূত্রে জানানো হয়, কোউইন অ্যাপের (CoWin) কোনও তথ্যই পাচার হয়নি। মন্ত্রক আরও জানিয়েছে যে, কিছু সংবাদমাধ্যম এই ধরনের ভুল তথ্য পরিবেশন করেছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ওই রিপোর্ট সম্পূর্ণ অসত্য। তবে কোনও রকম ঝুঁকি নিতে চাইছে না সরকার। তাই এ ব্যাপারে তদন্ত শুরু করেছে বৈদ্যুতিন এবং প্রযুক্তি মন্ত্রকের একটি বিশেষজ্ঞ দল।

কোউইন-এর চেয়ারম্যান আর এস শর্মা (R S Sharma) এ বিষয়ে বলেন, “গ্রাহকদের তথ্য ফাঁস হওয়ার যে খবর আসছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।” তিনি আরও বলেন, “এ ধরনের ভুয়ো খবর (Fake News) নেটমাধ্যমে ছড়িয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে। কোউইন অ্যাপে গ্রাহকদের যে তথ্য রয়েছে তা সম্পূর্ণ সুরক্ষিত।”

প্রসঙ্গত, বহুদিন ধরেই কোউইন অ্যাপ (CoWin) থেকে ভ্যাকসিন রেজিস্ট্রেশন (Vaccine Registration) নিয়ে অনেকের অভিযোগ ছিল। অনেকেই অভিযোগ করছেন যে,সেখানে রেজিস্ট্রেশন করেও ভ্যাকসিনের শ্লট পেতে সমস্যা হচ্ছে। তবে সেই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে কেন্দ্র। উল্টে ভ্যাকসিনের অপব্যবহার নিয়ে সুর ছড়িয়েছে। সম্প্রতি এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক (Health Ministry) থেকে চিঠি পাঠানো হয়েছে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে৷

প্রসঙ্গত, ভ্যাকসিনের উৎপাদন ও বিতরণ নিয়ে মোদী সরকারকে কোনঠাসা করতে চাইছে বিরোধীরা। সম্প্রতি তাদের জবাব দিয়েই দেশে মজুত ভ্যাকসিনের তথ্য প্রকাশ করে কেন্দ্র। দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পক্ষ থেকে সম্প্রতি জানানো হয় রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে এখনও মোট ১.৬৪ কোটি ভ্যাকসিনের (Vaccine) ডোজ মজুত রয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.