নয়াদিল্লি: কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন বুধবার কর সংক্রান্ত বেশ কিছু ঘোষণা করলেন।মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ঘোষণা করেছিলেন করোনা সংকট মোকাবেলায় ২০ লক্ষ কোটি টাকার প্যাকেজ। আর বলা হয়েছিল এর বিস্তারিত ব্যাখ্যা বুধবার দেবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। সেই মতো তিনি এদিন বিস্তারিতভাবে প্যাকেজের ব্যাখ্যা দেন।

এদিন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী জানান, ২০১৯-২০ আর্থিক বছরের জন্য আয়কর রিটার্ন ফাইলের ক্ষেত্রে সময়সীমা বাড়িয়ে ২০২০ সালের ৩০ নভেম্বর করা হলো। যেখানে এই সময়সীমা ছিল ২০২০ সালের ৩১ জুলাই এবং ৩১ অক্টোবর। অর্থমন্ত্রী বলেন,”২০১৯-২০ আর্থিক বছরের আয়কর রিটার্ন ফাইল করার সময়সীমা ২০২০ সালের ৩১ জুলাই এবং ৩১ অক্টোবর থেকে বাড়িয়ে ২০২০ সালের ৩০ নভেম্বর করা হলো এবং ট্যাক্স অডিট ২০২০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে বাড়িয়ে ২০২০ সালের ৩১ অক্টোবর করা হয়েছে।” এটা করদাতাদের জন্য কিছুটা স্বস্তির খবর কারণ সরকার আগেই ফর্ম সিক্সটিন দেওয়ার সময়সীমা ২০২০ সালের ‌১০ জুন থেকে বাড়িয়ে ‌২০২০ সালের ৩০ জুন করা হয়েছে।

এর ফলে আগের ঘোষণা মত সময় সীমা ৩১ জুলাই হলে হাতে মাত্র এক মাস সময় থাকত রিটার্ন ফাইল করার জন্য। চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট এবং কর পরামর্শদাতারা অবশ্য এই সময়সীমা বাড়বে বলে আশা করছিলেন। পাশাপাশি সরকার বেতন বাদে অন্যান্য ক্ষেত্রে আয়ের উৎস থেকে কর কাটা বা টিডিএস এবং ট্যাক্স কালেকশন অ্যাট সোর্স বা টিসিএস কমানো হয়েছে। ঘোষণা মতো করদাতার হাতে আরও তহবিলের ব্যবস্থা করতে এই টিডিএস এবং টিসিএস কাটা ২৫ শতাংশ কমানো হচ্ছে।

এই কম হারে টিডিএস এবং টিসিএস প্রযোজ্য থাকবে ২০২১ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত। এর ফলে ৫০০০০ কোটি টাকা নগদের ব্যবস্থা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া ‘বিবাদ সে বিশ্বাস’ প্রকল্পে কোনরকম সুদ বা জরিমানা ছাড়াই পেমেন্ট করার জন্য সময়সীমা বাড়ানো হল ২০২০ সালে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

দ্বিতীয়বারের জন্য এই বিষয়ে সময়সীমা বাড়ানো হলো। এর আগে ২০২০ সালের ২৪ মার্চে এই প্রকল্পের সময়সীমা২০২০ সালের ৩০ জুন করা হয়েছিল। এই প্রকল্পের মাধ্যমে কোনও কর সংক্রান্ত বিবাদ থাকলে এককালীন অর্থ দিয়ে তা মেটানোর ব্যবস্থা করার কথা ঘোষণা করা হয়েছিল বাজেটে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।