পাটনা: কখনো বিজেপি তো কখনো আরজেডি, কংগ্রেস, জেডিইউ নির্বাচনী কার্যালয়ে চলছে অভিযান। বেরিয়ে আসছে কালো টাকা ও গয়নার বেআইনি মজুত। সাম্প্রতিক সময়ে সবথেকে বড় অভিযান চালাচ্ছে আয়কর বিভাগ। এর ফলে বিহার সরগরম।

আয়কর দফতরের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে কোটি কোটি টাকার বেআইনি মজুত ও লেনদেন চলছে রাজ্য জুড়ে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এই লেনদেনে জড়িত। ফলে নির্বাচন চলাকালীন আয়কর অভিযান জারি থাকবে।

প্রথম দফা নির্বাচনের ঠিক আগেই নেপাল থেকে ধরা পড়েন বিহারের বিজেপি নেতার ভাই। নেপাল অভিবাসন বিভাগ ও পুলিশের যৌথ অভিযানে কোটি টাকার বেশি গয়না ও অর্থ সমেত তাকে গ্রেফতার করা হয়। নেপাল সরকারের আইনে তার বিচার হবে। নির্বাচন শুরু হওয়ার আগে থেকেই ভোটারদের প্রলুব্ধ করার অভিযোগ উঠতে থাকে।

বিজেপি, জেডিইউ, আরজেডি, কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বেশি অভিযোগ আসছিল। অভিযান শুরু করে আয়কর বিভাগ। বৃহস্পতিবার সংঘটিত হয়েছে রাজ্যে সবথেকে বড় আয়কর বিভাগের অভিযান। পাটনা, গয়া,ভাগলপুর, পূর্ণিয়া, কাটিহারে অভিযান চালিয়ে কালো টাকা ও গয়না বাজেয়াপ্ত করেছেন আয়কর কর্মীরা।

এর জেরে সরগরম বিহার। দ্বিতীয় দফায় এই সব এলাকার বিভিন্ন কেন্দ্রের ভোট নেওয়া হবে। নির্বাচন কমিশন কালো টাকার লেনদেন রুখতে বিশেষ সতর্কতা নিয়েছে। বেআইনি লেনদেন চালিয়ে ইতিমধ্যেই ধরা পড়েছে সরকারি ঠিকাদারদের বেশ কয়েকজন চাই।

তাদের মাধ্যমেই এই লেনদেন সংঘটিত হচ্ছে বলে অভিযোগ। আয়কর বিভাগ জানিয়েছে, এই বিপুল পরিমাণ কালো টাকা নির্বাচনে ভোট কিনতে ব্যবহার করা হচ্ছে। কোনওভাবেই অভিযান বন্ধ হবে না।

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।