স্টাফ রিপোর্টার, বোলপুর:  বীরভূমের ভোটের মুখে এবার তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mandal) নোটিস পাঠাল আয়কর দফতর। দাপুটে তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে হিসাব বহির্ভূত এবং আয়ের অধিক সম্পত্তি থাকার অভিযোগ রয়েছে। ১ সপ্তাহের মধ্যেই ওই নোটিসের উত্তর দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অনুব্রতর পাশাপাশি তাঁর ৪ জন আত্মীয়কেও নোটিস পাঠিয়েছে আয়কর দফতর। যদিও, আয়কর নোটিস এখনও পাননি বলে দাবি করেছেন অনুব্রত।

আরও পড়ুন: রাজ্য থেকে অক্সিজেন অন্যত্র পাঠানো বন্ধ হোক, কেন্দ্রকে চিঠি নবান্নর

আয়কর দফতর সূত্রে খবর, অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে আয় বহির্ভুত সম্মত্তির অভিযোগ জমা পড়েছিল। দাবি বীরভূমের এই তৃণমূল নেতার হিসাব বহির্ভূত সম্পত্তি রয়েছে আসানসোল, পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়াতে। সে ব্যাপারেই ৩০ এপ্রিলের মধ্যে অনুব্রত এবং তাঁর ওই ৪ আত্মীয়ের জবাব তলব করা হয়েছে। অনুব্রতবাবুকে, তাঁর যাবতীয় তথ্যের খতিয়ান, আয়-ব্যয় হিসাব, ব্যাঙ্কের নথির জমা করতে বলা হয়েছে। প্রসঙ্গত, আগামী ২৯ এপ্রিল অষ্টম দফায় ভোট বীরভূমে। তার আগে অনুব্রত মণ্ডলকে এই নোটিস যথেষ্ট তাৎপর্যবাহী বলেই মনে করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: করোনা পরিস্থিতি: ‘আমন্ত্রণ পেলে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে নিশ্চয়ই থাকতাম’, বললেন মমতা

বুধবারই অনুব্রতর নিরাপত্তা রক্ষীদের সম্পত্তির পরিমাণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন বোলপুরের বিজেপি প্রার্থী অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায়। এমনকি ২ মে রাজ্যে ভোটের ফল প্রকাশের পর এ ব্যাপারে বিশেষ দল গঠন করে তদন্তের হুঁশিয়ারিও দেন অনির্বাণ। তাঁর দাবি, অনুব্রতর এই নিরাপত্তারক্ষীদের এক এক জনের নামে প্রচুর জমি রয়েছে বোলপুরের বিভিন্ন এলাকায়। এমনকি বোলপুরেই এঁদের নামে ২-৩টি করে বাড়ি রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। সাংবাদিক বৈঠকে তিনি প্রশ্ন তোলেন অনুব্রতর নিরাপত্তারক্ষীদের উপার্জন নিয়েও।

আরও পড়ুন: ৫৩ জন সহ নিখোঁজ ইন্দোনেশিয়ার সাবমেরিন, সাহায্যের হাত বাড়াল ভারতীয় নৌবাহিনী

ভোটের আগে তৃণমূলের দলের নেতাদের বিরুদ্ধে  ইডি, সিবিআই বা এনআইএ’র সক্রিয় হয়ে ওঠা নিয়ে বহুবার তোপ দেগেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি প্রতিহিংসার রাজনীতি করছে৷ আগামী ২৯ তারিখ শেষ দফায় বীরভূমের সব আসনে নির্বাচন। তার ঠিক আগে অনুব্রতকে আয়কর বিভাগের এই নোটিশের নেপথ্যেও সেই তত্ত্বই মাথাচাড়া দিচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.