স্টাফ রিপোর্টার, বর্ধমান: মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে মাধ্যমিক পরীক্ষা৷ আর শুরুর দিনেই একেক পর এক বিভ্রান্তিকর ঘটনা প্রকাশ্যে আসছে৷ জলপাইগুড়িতে প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনার পর পূর্ব বর্ধমানের রাজস্কুলে প্রশ্নপত্র কম আসার ঘটনা ঘটল৷ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে স্কুলে ছুটে আসেন প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলার সাহাবুদ্দিন খান। এই একটি বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া মোটামুটি শান্তিপূর্ণভাবেই কাটল মাধ্যমিকের প্রথম দিনের পরীক্ষা।

মঙ্গলবার সকালে পরীক্ষা শুরুর নির্দিষ্ট সময়ের পর হঠাৎই রাজস্কুল থেকে একটি পর্ষদের গাড়ি দ্রুতবেগে স্কুল থেকে বেড়িয়ে যেতে থাকে। কোনও একজন অভিভাবক গাড়িতে থাকা কর্মীদের জিজ্ঞাসা করলে তাঁকে জানানো হয় প্রশ্নপত্র কম পড়েছে তাই আনতে যাচ্ছেন। আর এতেই অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। অভিভাবকরা স্কুলের চত্বরে জমায়েত হন। বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। রীতিমত পর্ষদের অব্যবস্থার বিরুদ্ধে সরব হন তাঁরা। ফলে সাময়িক উত্তেজনা ছড়ায় বর্ধমানের রাজ স্কুলে।

এই বছর রাজ স্কুলে বর্ধমান মিউনিসিপাল বয়েজ স্কুল, রামাশিস হিন্দি হাই স্কুল এবং হরিজন হাইস্কুলের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের সিট পড়েছে। এদিকে স্কুল চত্বরে এই উত্তেজনার খবর পেয়ে ছুটে আসেন স্থানীয় তৃণমূলের প্রাক্তন কাউন্সিলার সাহাবুদ্দিন খান। তিনি কথা বলেন রাজ স্কুলের প্রধান শিক্ষকের সঙ্গেও। স্কুলের প্রধান শিক্ষক জানিয়ে দেন, প্রশ্নপত্র কম থাকার বিষয়টি সম্পূর্ণভাবেই গুজব।

স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্ধমান রাজ স্কুলকে এবারে পর্ষদের অধীনে মেন ভেনু করা হয়। এই স্কুল থেকেই অন্যান্য বেশ কয়েকটি স্কুলে প্রশ্নপত্র পাঠানো হয়েছে। বর্ধমান শহরের একটি স্কুলে এক পরীক্ষার্থীকে প্রশ্ন দেওয়ার সময় তার প্রশ্নপত্রটি ছেঁড়া থাকায় সে তা নিতে অস্বীকার করে। তার ফলেই রাজ স্কুল থেকে অন্য প্রশ্নপত্র নিয়ে যাওয়া হয়। আর এই গোটা বিষয়টিকেই ব্যাখ্যা হয় অন্যভাবে।

রাজ স্কুলের শিক্ষকরা এদিন জানিয়েছেন, কোথাও কোনও সমস্যা হয়নি। পরীক্ষার্থীরা স্বাভাবিকভাবেই পরীক্ষা দিয়েছে। এই বিষয়ে পর্ষদের আঞ্চলিক অধিকর্তা রবীন্দ্রনাথ পাল বলেন, এদিনের পরীক্ষায় কোনও দিক থেকেই কোনও অভিযোগ তাঁর কাছে আসেনি। পরীক্ষা শান্তিপূর্ণভাবেই হয়েছে।

এই বছর পূর্ব বর্ধমান আঞ্চলিক দফতরের অধীনে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২ লক্ষ ৬ হাজার ৩৮০জন। মাধ্যমিক পরিষদের বর্ধমান আঞ্চলিক কেন্দ্রের অধিকর্তা রবীন্দ্রনাথ পাল জানিয়েছেন, এবছর মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য মোট ৫৫৫টি সেন্টার করা হয়েছে। সাব সেন্টার করা হয়েছে ২৮২টি। এছাড়াও রয়েছে ৭টি কেন্দ্র থেকে উত্তরপত্র বণ্টন করার ব্যবস্থা।

তিনি আরও জানান, এই বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের মধ্যে রেগুলার ছাত্রের সংখ্যা ৮৪ হাজার ৫২১ জন এবং ছাত্রীর সংখ্যা ১ লক্ষ ৪ হাজার ৫৩৭ জন। এক্সটারনাল পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২৩জন। এছাড়াও রয়েছেন সিসি পরীক্ষার্থী হিসাবে ৩৬৭৭ জন ছাত্র এবং ১১ হাজার ৫৭৬ জন ছাত্রী। কম্পার্টমেন্টাল ছাত্রের সংখ্যা ৬৩২ জন এবং ছাত্রী ১২৩২জন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।