নয়াদিল্লি: টাকা পয়সা লেনদেনের ক্ষেত্রে আপনি কী ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম বেশী ব্যবহার করছেন? মোবিকুইক, ফোন-পে, পেটিএমে’র মতো প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন? তবে আপনার জেনে রাখা জরুরি, কেওয়াইসি আপডেটের মতোই এবার থেকে এই ধরনের রিচার্জ, টিকিট বুকিং, বিল পে পরিষেবা প্রদানকারী ই-ওয়ালেট প্ল্যাটফর্ম গুলিতে যদি আপনি নূন্যতম টাকা না রাখেন বা দীর্ঘদিন ব্যবহার না করেন তাহলে এবার কাস্টমারদের থেকে চার্জ কাটবে এই সংস্থা গুলি।

অতি সম্প্রতি একটি ইংরেজি দৈনিকে প্রকাশিত খবর থেকে জানা গিয়েছে যে, এবার থেকে কেওয়াইসি আপডেটের মতোই অনলাইন ই-ওয়ালেট অ্যাকাউন্টে নূন্যতম ব্যালেন্স না রাখলে গ্রাহকের থেকে ১৪০ টাকা করে অতিরিক্ত চার্জ কাটবে মোবিকুইক। নাহলে মোবিকুইক (MobiKwik) এর মতো মোবাইল ওয়ালেট বন্ধ হয়ে যাবে।

তবে ‘টাইমস অফ ইন্ডিয়ার’ রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন অ্যাকাউন্ট নিস্ক্রিয় থাকার জন্য কাস্টমারদের থেকে চার্জ কাটা হলেও পরে যদি তাঁরা অ্যাকাউন্ট সক্রিয় রাখতে উদ্যোগী হন তাহলে মোবিকুইক পুনরায় গ্রাহকদের টাকা ফেরত দিয়ে দেবে।

শুধু তাই নয়, নিস্ক্রিয় গ্রাহকদের ক্ষেত্রে যেকোনও জায়গা থেকে মোট ১০০ থেকে ১৪০ টাকা পর্যন্ত চার্জ কাটা হতে পারে। তবে তার আগে আগাম সতর্কবার্তা হিসেবে কাস্টমারদের একটি ৭ দিনের নোটিশ দেওয়া হবে। যদি কোনও গ্রাহক ওই সাতদিনের মধ্যে অ্যাকাউন্টটি পুনরায় চালু না করেন তবেই চার্জ কাটা হবে বলে জানা গিয়েছে।

যদিও এই বিষয়ে সংস্থার এক্সিকিউটিভ জানিয়েছেন, এই বিষয়ে কোনও গ্রাহকের অভিযোগ থাকলে তা তাঁরা আরবিআই’তে জানাতে পারেন। যেহেতু এই ই-ওয়ালেট চালুর সময় অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় থাকলে চার্জ কাটা হবে কিনা তখন সেটি কাস্টমারদের স্পষ্ট করে জানানো হয়নি।

উল্লেখ্য, ডিজিটাল ই-ওয়ালেট প্ল্যাটফর্ম হিসেবে মোবিকুইক (MobiKwik) রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে এবং পেমেন্ট গেটওয়ে হিসেবে সারাদেশে এটি তৃতীয় স্থানে রয়েছে। এছাড়াও ৩ মিলিয়নেরও বেশি ব্যবসায়ী লেনদেনের সময় এটি ব্যবহার করেন। এছাড়াও ১৪০ মিলিয়ন নেটওয়ার্ক রয়েছে ‘MobiKwik’ এর। শুধু তাই নয়, এই অনলাইন ওয়েবসাইট ব্যবহার করে সারাদিনে প্রায় ১ মিলিয়ন লেনদেন করা হয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.