স্টাফ রিপোর্টার , হাওড়া: বাগনানের গোপালপুরে ছাত্রী নির্যাতন ও তার মা’কে খুনের অভিযোগে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছে বাগনানের গোপালপুর গ্রামের তৃণমূল নেতা তথা স্থানীয় বাগনান-২ পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী কুশ বেরা।স্ত্রী’র নাম ভাঙিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ‘দাদাগিরি’ চালানোর অভিযোগ উঠেছে কুশের বিরুদ্ধে।

জানা গিয়েছে,২০১১ পর্যন্ত সিপিএমেই ছিল কুশ। তারপর,রাজ্যে পালাবদলের পরই দল বদল করে বাগনানের এই তৃণমূল নেতা। ২০১৩ সালের পঞ্চায়েত ভোটে টিকিটও পেয়ে যায় কুশের স্ত্রী রমা বেরা। তারপর থেকেই এলাকায় ‘দাদা’ হয়ে ওঠে বাগনান কান্ডের মূল অভিযুক্ত কুশ। গ্রামবাসীদের অভিযোগ ,হুমকি, তোলাবাজি, এলাকার মহিলাদের কটূক্তি থেকে মারধর সব বিষয়েই নাম জড়াত কুশ বেরার। কিন্তু,এলাকার প্রভাবশালী নেতা হওয়ায় ভয়ে কেউ মুখ খুলতেন না। আর তার এই সমস্ত কর্মকান্ডের অন্যতম শাগরেদ হিসাবে কুশের সঙ্গে থাকত এই ঘটনার আরেক অভিযুক্ত শোভন মন্ডল।

স্থানীয়দের অভিযোগ,কুশ ও তার শাগরেদ নিজেদের শাসকদলের প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচয় দিয়ে এলাকায় দীর্ঘদিন দাপিয়ে বেড়িয়েছে।পেশায় গ্যাস ডেলিভারি বয় কুশের বিরুদ্ধে আরেক অন্য অভিযোগও উঠেছে।অভিযোগ,কু্শ বাড়ি বাড়ি গ্যাস পৌঁছে দিয়ে বেআইনিভাবে টাকা নিত।আর উপভোক্তারা তা না দিতে চাইলেই তাদের বিভিন্নভাবে হেনস্থা করত।গ্রামবাসীদের বক্তব্য,কুশ ও তার ছায়াসঙ্গী শোভনের এহেন আস্ফালনে শাসকদলের নেতাদের মদত ছিল।যদিও,সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব।এখন এলাকার মানুষের একটাই দাবি,দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক কুশ ও তার ছায়াসঙ্গী শোভনের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।