কলকাতা : পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা থেকে রাজ্য মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা ১ থ্রেকে বেড়ে এবার ৪ হল। গত বিধানসভায় মাত্র ১ জন ছিলেন পশ্চিম মেদিনীপুরের মন্ত্রী। ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল সাফল্যের পর পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা থেকে ৪ জন বিধায়ককে রাজ্য মন্ত্রিসভায় নিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই ৪ জন হলেন সবংয়ের বিধায়ক মানস ভুঁইয়া, ডেবরার বিধায়ক হুমায়ূন কবীর, কেশপুরের বিধায়ক শিউলি সাহা এবং শালবনির বিধায়ক শ্রীকান্ত মাহাতো। এই ৪ জনের মধ্যে মানস ভূঁইয়া পূর্ণমন্ত্রী হয়েছেন। হুমায়ুন স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন। শ্রীকান্ত মাহাতো এবং শিউলি সাহা প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন। জেলার মন্ত্রীর সংখ্যা বাড়ায় স্বাভাবিক কারণেই খুশি পশ্চিম মেদিনীপুরের তৃণমূল কর্মী-সমর্থকেরা। প্রসঙ্গত, পশ্চিম মেদিনীপুরের ১৫টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে এ বার ১৩টিতেই জিতেছে তৃণমূল। বিজেপি জিতেছে ২টি কেন্দ্রে। যদিও ২০১৯ সালের বিধানসভা ভিত্তিক ফলাফলের হিসেবে তৃণমূল ৮ এবং বিজেপি ৭টি কেন্দ্রে এগিয়ে ছিল।

২০১৬ সালের বিধানসভা ভোটের পরে পিংলার বিধায়ক সৌমেন মহাপাত্র ছিলেন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা থেকে মন্ত্রিসভায় একমাত্র প্রতিনিধি। এ বার বিধানসভা নির্বাচনের কয়েকমাস আগে তাঁকে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা তৃণমূলের সভাপতির দায়িত্ব দেয় দল। তিনি পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুক থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে এবার জয়ী হয়েছেন। সোমবার তিনিও মন্ত্রী হয়েছেন। সৌমেন মহাপাত্র ছাড়াও পূর্ব মেদিনীপুর থেকে স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন অখিল গিরি। অভিভক্ত মেদিনীপুর জেলার অংশ ঝাড়গ্রাম থেকে প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন বীরবাহা হাঁসদা।

এর আগে ২০১১ সালে মা-মাটি-মানুষের মন্ত্রিসভায় পূর্ণমন্ত্রী হয়েছিলেন মানস। তখন মানসবাবু ছিলেন তৃণমূল-কংগ্রেস জোট মন্ত্রিসভায় কংগ্রেসের প্রতিনিধি। তাই সাড়ে চার মাস পর তিনি মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেন। এ বারই প্রথম সবং থেকে তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে তিনি জয়ী হলেন। শিউলি সাহা, শ্রীকান্ত মাহাতো দু’জনেই ৩ বারের তৃণমূল বিধায়ক। তবে ২০১১-য় শিউলি জিতেছিলেন পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়া বিধানসভা থেকে।

এদিকে আইপিএস হুমায়ুন কয়েক মাস আগেই পুলিশের চাকরি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন। ডেবরা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী ও আর প্রাক্তন আইপিএস অফিসার, ভারতী ঘোষকে পরাজিত করেন হুমায়ুন কবির ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.